ব্রেকিং:
করোনাভাইরাস মোকাবিলায় এপ্রিল মাসে স্থলবন্দর দিয়ে কাউকে ঢুকতে দেয়া হবে না: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ডাক্তার অনুপস্থিতির দুর্দিন এলে প্রয়োজনে বিদেশ থেকে আনা হবে:প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত খুনি আব্দুল মাজেদকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনকে হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়েছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্বপরিবারে হত্যার দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি আবদুল মাজেদ গ্রেফতার
  • বুধবার   ০৮ এপ্রিল ২০২০ ||

  • চৈত্র ২৪ ১৪২৬

  • || ১৪ শা'বান ১৪৪১

সর্বশেষ:
করোনার পরীক্ষামূলক ওষুধ তৈরিতে আশার আলো দেখাচ্ছে বাংলাদেশ! বিশ্বব্যাপী মহামারির মধ্যেই আজ বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস করোনা পরিস্থিতি দেখে ভয় পেলে ভয় পেলে চলবে না, সতর্ক থাকতে হবে:প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা টেলিভিশনে প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের পাঠদান শুরু আজ জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন
১৮

আন্তর্জাতিক নারী দিবসের প্রেক্ষাপট   

প্রকাশিত: ৮ মার্চ ২০২০  

১৬৩ বছর আগের কথা। এই ঘটনাটি ঘটে ১৮৫৭ খ্রিস্টাব্দে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের রাস্তায় সেদিনকার মিছিলে চলে সরকারের লেঠেল বাহিনীর দমন-পীড়ন। ১৯০৯ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি নিউইয়র্কের সোশ্যাল ডেমোক্র্যাট নারী সংগঠনের পক্ষ থেকে আয়োজন করে হয় নারী সমাবেশ। 

সেখানে জার্মান সমাজতান্ত্রিক নেত্রী ক্লারা জেটকিনের নেতৃত্বে সর্বপ্রথম আন্তর্জাতিক নারী সম্মেলন হলো। ক্লারা ছিলেন জার্মান রাজনীতিবিদ। জার্মান কমিউনিস্ট পার্টির স্থপতিদের একজন। এরপর ১৯১০ খ্রিস্টাব্দে ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে অনুষ্ঠিত হয় দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক নারী সম্মেলন। ১৭টি দেশ থেকে ১০০ জন নারী প্রতিনিধি এতে যোগ দিয়েছিলেন। 

এ সম্মেলনে ক্লারা প্রতি বৎসর ৮ মার্চকে আন্তর্জাতিক নারী দিবস হিসেবে পালন করার প্রস্তাব দেন। সিদ্ধান্ত হয় ১৯১১ খ্রিস্টাব্দ থেকে নারীদের সম-অধিকার দিবস হিসেবে দিনটি পালিত হবে। দিবসটি পালনে এগিয়ে আসে বিভিন্ন দেশের সমাজতন্ত্রীরা। ১৯১৪ খ্রিস্টাব্দ থেকে বেশ কয়েকটি দেশে ৮ মার্চ পালিত হতে শুরু করে। 

এরপর জাতিসংঘ ১৯৭৫ সালে ৮ মার্চকে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি প্রদান করে হয়। এমনকি দিবসটি পালনের জন্য বিভিন্ন রাষ্ট্রকে আহ্বান জানায় জাতিসংঘ। এরপর থেকে পুরো পৃথিবী জুড়েই নারীর সমঅধিকার আদায়ের দাবিতে পালিত হচ্ছে দিনটি। বর্তমানে বিশ্বের অনেক দেশেই নারীর প্রতি সম্মান জানাতে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে সরকারি ছুটির দিন পালন করা হয়। 

এর মধ্যে রয়েছে আফগানিস্তান, আর্মেনিয়া, আজারবাইজান, বেলারুশ, বুরকিনা ফাসো, কিউবা, জর্জিয়া, গিনি-বিসাউ, ইরিত্রিয়া, কাজাখস্তান, তুর্কমেনিস্তান, উগান্ডা, ইউক্রেন, উজবেকিস্তান, কিরগিজিস্তান, তাজিকিস্তান,  ভিয়েতনাম কম্বোডিয়া, লাওস, মলদোভা, মঙ্গোলিয়া, মন্টেনিগ্রো, রাশিয়া এবং জাম্বিয়া। এছাড়াও চীন, মেসিডোনিয়া, মাদাগাস্কার, নেপালে শুধুমাত্র নারীরাই সরকারী ছুটির দিন উপভোগ করে থাকেন।    

নারী দিবসের প্রথম প্রতিপাদ্য ছিল অতীত উদযাপন এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা। যেটি ছিল ১৯৯৬ সাল। এরপর থেকে প্রতি বছর একেকটি প্রতিপাদ্য নিয়ে পালন করা হয় নারী দিবস। প্রতি বছর ভিন্ন ভিন্ন প্রতিপাদ্য নিয়ে নারী দিবস পালিত হলেও বিশ্বজুড়ে নারীর অবস্থানে খুব একটা তারতম্য চোখে পড়েনা। আর প্রতিবছরই নারী দিবস নারীদের হাজার বছর ধরে বঞ্চনার ইতিহাস সামনে নিয়ে আসে।

‘প্রজন্ম হোক সমতার, সকল নারীর অধিকার’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে এ বছর বিশ্বব্যাপী পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক নারী দিবস। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে নারী দিবসের যথার্থতা ভিন্ন হলেও লক্ষ্য কিন্তু একটিই নারী পুরুষের সমতা আনা। পৃথিবীর অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও নানাভাবে পালিত হয় এ দিনটি। নানা সমাবেশসহ বিভিন্ন কাজের জন্য শ্রেষ্ঠ নারীদের সম্মাননা দেয়া হয়।

বাংলাদেশে ১৯৭১ সালের ৮ মার্চ প্রথম পালিত হয় নারী দিবস। পরবর্তীতে ১৯৭৫ সালে জাতিসংঘ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে আন্তজার্তিক স্বীকৃতি পায় নারী দিবস। এরপর থেকেই এ দিনটি আন্তর্জাতিক নারী দিবস হিসেবে বিশ্বব্যাপী পালিত হয়ে আসছে।

– দৈনিক পঞ্চগড় নিউজ ডেস্ক –
পাঠকের চিন্তা বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর