সোমবার   ০৯ ডিসেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ২৫ ১৪২৬   ১১ রবিউস সানি ১৪৪১

সর্বশেষ:
পুরুষদের পাশাপাশি চ্যালেঞ্জ নিয়ে নারীরাও সমান দক্ষতার সাথে কাজ করে যাচ্ছে- বেগম রোকেয়া পদক অনুষ্ঠানে বললেন প্রধানমন্ত্রী। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫২তম সমাবর্তন অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি। কর্মক্ষেত্রে নিজেদের যোগ্যতার প্রমাণ দিচ্ছেন নারীরা, বেগম রোকেয়ার সেই স্বপ্ন আজ বাস্তবতা - বললেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। নারী উদ্যোক্তাদের বিশেষ সুবিধা দেয়ার আশ্বাস। দুর্নীতিবাজদের স্বস্তিতে থাকতে দেয়া হবে না বললেন দুদক চেয়ারম্যান। এসএ গেমসে আর্চারির দশটি ইভেন্টেই স্বর্ণপদক বাংলাদেশের। এসএ গেমসে এ পর্যন্ত বাংলাদেশের স্বর্ণ সংখ্যা মোট ১৮টি। নিউজিল্যান্ডের হোয়াইট আইল্যান্ড আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতে নিহত ১ জন, নিখোঁজ বেশ কয়েকজন পর্যটক। হংকংয়ে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করছে আন্দোলনকারীরা। কর্নাটকে বিধানসভা আসনের উপনির্বাচনে এগিয়ে বিজেপি – কংগ্রেসের হার স্বীকার। ভারতের লোকসভায় বিতর্কিত নাগরিকত্ব বিল পাস হচ্ছে আজ।
৩৩

`ঋণে সুদহার কমানোর উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে`

প্রকাশিত: ২ ডিসেম্বর ২০১৯  

ঋণে সুদহার কমানোর উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। 

তিনি বলেন, খেলাপি ঋণ বৃদ্ধির একটি মাত্র কারণ হচ্ছে ঋণে সুদহার খুব বেশি। আমাদের মতো এত বেশি সুদহার পৃথিবীর আর কোথাও নেই। তবে ঋণে সুদহার কমানোর উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

অর্থমন্ত্রী আরো বলেন, ১৪-১৫ শতাংশ সুদ দিয়ে উদ্যোক্তারা শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ে তুলবে কীভাবে? তাই আমরা আজ বসেছিলাম সুদহারটা কীভাবে কমানো যায়। ব্যাংকাররাও ফিল করে যে সুদহার কমাতে হবে। সুদহার কমাতে পারলে আমরা অনেক প্রতিবন্ধকতা মোকাবিলা করতে পারব।

রোববার পরিকল্পনা কমিশনের এনইসি সম্মেলন কক্ষে দেশের সব সরকারি-বেসরকারি ব্যাংকের চেয়ারম্যান এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালকের (এমডি) সঙ্গে বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী এসব কথা বলেন। বৈঠকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক বিভাগের সচিব আসাদুল ইসলামও উপস্থিত ছিলেন।

অর্থমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিয়ে খেলাপি ঋণ কমানোর ঘোষণা দিলেও তা না কমে উল্টো বেড়েছে। এ বিষয়ে মুস্তফা কামাল বলেন, খেলাপি ঋণ এদেশের সব নাগরিকের অর্থ, তাদের কষ্টার্জিত টাকা। সুতরাং তাদেরও একটা বক্তব্য আছে। আমি তাদের হয়ে বলেছিলাম যে এটা বাড়বে না। এটা দুঃসাধ্য কাজ না, যদি আমরা সঠিক রাস্তায় থাকি এবং সঠিক সময়ে সঠিক কাজটা করতে পারি তাহলে সেটা সম্ভব।

খেলাপি ঋণ কমানোর জন্য দেয়া বিশেষ সুবিধার কথা তুলে ধরে অর্থমন্ত্রী বলেন, কিন্তু ১৪-১৫ শতাংশ সুদ দিয়ে খেলাপিরা ঋণ শোধ করে শেষ করতে পারবে না। কারণ, একদিকে সুদ দেয়, অন্যদিকে এটা বাড়তে থাকে। এটা দিয়ে কুলাতে পারে না।

ব্যাংক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমরা চাই- যে উদ্দেশে সরকার ব্যাংকগুলো অনুমোদন দিয়েছে সেই জায়গা থেকে তারা কাজ করবে। এনপিএল কমাতে হবে এবং সুদহারও কমাতে হবে। আমাদের বেসরকারি ব্যাংক অনেক এলাকা কাভার করে। দেশের উন্নয়ন এখন দৃশ্যমান। এগুলো সম্ভব হয়েছে আমাদের সরকারি-বেসরকারি ব্যাংকগুলোর কারণে।

সুদহার কমালে মন্দঋণ স্বাভাবিকভাবেই কমবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

– দৈনিক পঞ্চগড় নিউজ ডেস্ক –
এই বিভাগের আরো খবর