• রোববার   ০৫ এপ্রিল ২০২০ ||

  • চৈত্র ২১ ১৪২৬

  • || ১১ শা'বান ১৪৪১

সর্বশেষ:
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরো ৯ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন চাল নিয়ে কর্মহীন মানুষের বাড়ি বাড়ি ঘুরছেন রসিক মেয়র করোনার রোধে রংপুরে হাত ধোয়া শেখাচ্ছেন সেনা সদস্যরা করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের পর বিশ্বের ফুটবল বদলে যাবে বলে মনে করেন ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো করোনাভাইরাসে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে ২০২০ সালের হজ্জ মৌসুমে বিভিন্ন পদে মক্কা, মদিনা এবং জেদ্দার জন্য স্থানীয়ভাবে অস্থায়ী হজকর্মী নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত করেছে বাংলাদেশ হজ অফিস জেদ্দা
৬৫

কীভাবে প্রতিরোধ করবেন করোনা ভাইরাস?   

প্রকাশিত: ২৩ মার্চ ২০২০  

করোনা ভাইরাস নিউমোনিয়া ধরনের অসুস্থতা সৃষ্টি করে এবং তারপর অ্যান্টিবায়োটিক চিকিৎসায় সাড়া দেয় না। ভাইরাসটিতে সংক্রমণের লক্ষণ হচ্ছে সর্দি, কাশি, গলাব্যথা, শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা। এছাড়া জ্বর ও মাথাব্যথাও হতে পারে। এসব সমস্যা কয়েকদিন পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। দুর্বল ইমিউন সিস্টেমের মানুষ, বয়স্ক ও শিশুদের এই ভাইরাসে নিউমোনিয়া বা ব্রঙ্কাইটিসের মতো শ্বাসনালীর সমস্যায় আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা অনেক বেশি।

করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হলে বিপদ এ কারণে যে, এর নির্দিষ্ট চিকিৎসা নেই। বিশেরভাগ ক্ষেত্রে উপসর্গগুলো আপনা আপনি চলে যায়। চিকিৎসকরা ব্যথা বা জ্বরের ওষুধ দিয়ে উপসর্গগুলো থেকে আপনাকে মুক্তি দিতে পারেন। গরম পানিতে গোসল গলাব্যথা বা কাশি থেকে মুক্তি দিতে সহায়ক হতে পারে।

এ সময় প্রচুর তরল পান করুন, বিশ্রাম নিন এবং পর্যাপ্ত ঘুমান। রোগের উপসর্গগুলো যদি সাধারণ ঠান্ডার তুলনায় বেশি কিছু বলে মনে হয় তাহলে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।

নতুন করোনা ভাইরাসগুলোর বিরুদ্ধে সুরক্ষার জন্য কোনো ভ্যাকসিন নেই। অন্তত এখন পর্যন্ত তৈরি হয়নি। মার্স ভাইরাসের ভ্যাকসিন নিয়ে ক্লিনিক্যাল পরীক্ষা চলছে। যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট নতুন করোনা ভাইরাসটির ভ্যাকসিন তৈরিতে কাজ করছে। কিন্তু ক্লিনিক্যাল পরীক্ষা-নিরীক্ষা সম্পন্ন করে ভ্যাকসিন নিয়ে আসতে এক বছরেরও বেশি সময় লেগে যেতে পারে।
আপাতত প্রতিরোধের একমাত্র উপায় হলো, যারা ইতোমধ্যেই আক্রান্ত হয়েছেন বা এই ভাইরাস বহন করছেন তাদের সংস্পর্শ এড়িয়ে চলা। হাত দিয়ে নাক-মুখ স্পর্শ না করা, সবসময় সাবান দিয়ে হাতে ধোয়া; অন্তত ২০ সেকেন্ড সময় নিয়ে।

সচেতন থাকাটাই মূল বিষয়। হাঁচি ও কাশি দেওয়ার সময় নাক ও মুখ ঢেকে রাখুন। বাইরে বেরোনোর সময় মাস্ক ব্যবহার করুন। পোষা প্রাণি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হতে পারে এবং সংক্রমণ তীব্র আকার ধারণ করতে পারে। অনেক সময় এটি মানুষের জন্যও প্রাণঘাতী রোগের কারণ হতে পারে।

– দৈনিক পঞ্চগড় নিউজ ডেস্ক –
লাইফস্টাইল বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর