ব্রেকিং:
করোনায় আক্রান্ত হয়ে রংপুর বিভাগের কুড়িগ্রামে আরো একজনের মৃত্যু। রংপুর নগরীতে করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে জীবাণুনাশক স্প্রে করছে সিটি কর্পোরেশন।
  • শুক্রবার   ১৬ এপ্রিল ২০২১ ||

  • বৈশাখ ২ ১৪২৮

  • || ০৩ রমজান ১৪৪২

সর্বশেষ:
রংপুর নগরীর শাপলা চত্বর এলাকায় র‌্যাব-১৩ এর উদ্যোগে করোনা সংক্রমণ রোধে জনসচেতনতামূলক প্রচারণা চলছে। করোনাভাইরাস সংক্রমণ মোকাবিলায় সারাদেশে দ্বিতীয় দিনের মতো সর্বাত্মক লকডাউন চলছে। প্রবাসী কর্মীদের জন্য বিশেষ ফ্লাইটের ব্যবস্থা করছে সরকার বসুন্ধরার হাসপাতাল ‘উধাও’ হয়নি, বণ্টন হয়েছে- স্বাস্থ্যের ডিজি রংপুরসহ দেশের তিন বিভাগ ও দুই জেলার একাধিক স্থানে কালবৈশাখী ঝড়ের আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সর্বাত্মক লকডাউনের দ্বিতীয় দিনেও রংপুরে রাস্তার মোড়ে মোড়ে বসেছে পুলিশের চেকপোস্ট।

দিনাজপুরে ১৩ হাজার খামারিকে আর্থিক প্রণোদনা দেয়া শুরু 

প্রকাশিত: ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১  

দিনাজপুর জেলার ১৩টি উপজেলার প্রায় ১৩ হাজার খামারি সরকারের আর্থিক সুবিধা পাওয়া শুরু করেছেন। করোনাকালীন ক্ষতিপুষিয়ে নেয়ার জন্য সরকারের দেয়া প্রণোদনার অর্থ পেয়ে ডেইরি ও পোল্ট্রি খামারের মালিকেরা সন্তোষ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

দিনাজপুর জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. শাহিনুর আলম বুধবার তার কার্যালয়ে জানান, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের নীতিমালা অনুযায়ী জেলার ১৩টি উপজেলার প্রায় ১৩ হাজার ডেইরি ও পোল্ট্রি খামারের মালিকদের মোবাইল ব্যাংকিং বিকাশের মাধ্যমে মঙ্গলবার থেকে প্রণোদনার অর্থ প্রদানের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। 

করোনাকালীন দুঃসময়ে ডেইরি ও পোল্ট্রি খামারের মালিকরা নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। তাদের ক্ষতির কথা মানবিক ভাবে বিবেচনা করে সরকার আর্থিক প্রণোদনার ব্যবস্থা করেন। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী খামারিদের প্রণোদনার অর্থ মোবাইল ব্যাংকিং বিকাশের মাধ্যমে প্রদানের কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। 

প্রণোদনার অর্থ ছাড় করণের জন্য যে অর্থের প্রয়োজন সেটাও সরকার বিকাশ কর্তৃপক্ষকে শোধ করছেন। যদি কোনো খামারি প্রণোদনার সুবিধা থেকে বঞ্চিত হন তাহলে প্রাণিসম্পদ বিভাগ পর্যায়ক্রমে তাদেরও অর্থ প্রদানের ব্যবস্থা রেখেছেন। যদি কোনো খামার মালিকের বিকাশ অ্যাকাউন্টের নাম্বার ভুল থাকে তাহলে তা সংশোধনের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা বলেন, ১৩টি উপজেলায় ১০ হাজার ৬২১ জন ডেইরি খামারি ও ২ হাজার ৯২ জন পোল্ট্রি খামারিকে প্রথম পর্যায়ে প্রণোদনার অর্থ দেয়া হচ্ছে। 

তিনি বলেন, ২ থেকে ৫টি গাভির খামারকে ১০ হাজার টাকা, ৬টি থেকে ৯টি গাভির খামারিকে ১৫ হাজার টাকা ও ১০ থেকে ২০টি গাভির খামারিকে ২০ হাজার টাকা প্রণোদনা দেয়া হচ্ছে। ১০০ থেকে ৫০০ পর্যন্ত সোনালি মুরগির খামারকে সাড়ে ৪ হাজার টাকা, ৫০১ থেকে ১ হাজার পর্যন্ত ৬ হাজার ৭৫০ টাকা ও ১ হাজারের উর্ধে খামারকে ৯ হাজার টাকা, ৫০০ থেকে ১ হাজার ব্রয়লার মুরগির খামারকে ১১ হাজার ২৫০ টাকা, ১০০১ থেকে ২ হাজার পর্যন্ত খামারকে ১৬ হাজার ৮৭৫ টাকা ও ২ হাজারের উর্ধ্বে খামারকে ২২ হাজার ৫০০ টাকা।

এছাড়া ২০০ থেকে ৫০০ পর্যন্ত লেয়ার মুরগির খামারকে ১১ হাজার ২৫০ টাকা, ৫০১ থেকে ১ হাজার পর্যন্ত খামারকে ১৬ হাজার ৮৭৫ টাকা ও ১ হাজারের উর্ধ্বের খামারকে ২২ হাজার ৫০০ টাকা এবং হাঁসের ক্ষেত্রে ১০০ থেকে ৩০০ পর্যন্ত খামারকে ৩ হাজার ৩৭৫ টাকা, ৩০১ থেকে ৫০০ পর্যন্ত খামারকে ৬ হাজার ৭৫০ টাকা ও ৫০০ এর উর্ধের খামারকে ১১ হাজার ২৫০ টাকা করে প্রণোদনা দেয়া হচ্ছে।

প্রণোদনার অর্থ পেয়ে খুশি ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন, ডেইরি খামার মালিক দিনাজপুর উপজেলার শশরা ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রামের মোজাম্মেল হোসেন, একই ইউনিয়নের রাণীপুর গ্রামের বাবুল হোসেন, সদর উপজেলার ১ নম্বর চেহেলগাজী ইউনিয়নের বনকালী গ্রামের ফজলুল করিম এবং উথরাইল ইউনিয়নের মোখলেসুর রহমান।

খামারি মালিকরা বলেন, সরকারের এ আর্থিক প্রণোদনা আমাদের জন্য বিরাট উপকার। করোনার সময় আমরা যে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি তা পুরণের এ মহতি পদক্ষেপ খামারিদের মাঝে আশার সঞ্চার করেছে। এজন্য সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

– দৈনিক পঞ্চগড় নিউজ ডেস্ক –