ব্রেকিং:
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও ৩৬ জন মারা গেছেন। একই সময়ে করোনা আক্রান্ত ব্যক্তি শনাক্ত হয়েছে ১ হাজার ৯০৮ জন
  • রোববার   ২৯ নভেম্বর ২০২০ ||

  • অগ্রাহায়ণ ১৪ ১৪২৭

  • || ১৩ রবিউস সানি ১৪৪২

সর্বশেষ:
১৫ লাখ কৃষককে বিনামূল্যে হাইব্রিড বীজ দেবে সরকার দিনাজপুরে ঘন কুয়াশায় জেঁকে বসেছে শীত করোনার ভ্যাকসিন মানুষ সহজেই পাবে- সেতুমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে ষড়যন্ত্রের জবাব দেবে জনগণ- মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী পেঁয়াজ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে রোডম্যাপ সরকারের

নভেম্বরেই যমুনায় পৃথক রেলসেতুর ভিত্তি স্থাপন: রেলমন্ত্রী 

প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২০  

নভেম্বরেই শুরু হচ্ছে দ্বিতীয় বঙ্গবন্ধু ডুয়েলগেজ রেলসেতুর নির্মাণকাজ। যমুনার ওপর নির্মিতব্য ৪ দশমিক ৮ কিলোমিটার এ ডাবল লাইন সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। নির্মাণ শেষ হলে ডুয়েলগেজ সেতুটিই হবে দেশের সবচেয়ে বড় রেলসেতু। এরই মধ্যে প্রস্তুতি শেষ করেছে রেলওয়ে। সেতু নির্মাণে সময় বাড়ানোর পাশাপাশি ব্যয়ও বেড়েছে দ্বিগুণ। জাপানি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এ কাজের দায়িত্বে রয়েছে।

রেলপথমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন জানান, ‘সেতুর কাজ শুরুর যাবতীয় প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী সময় দিলেই নভেম্বরে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন হবে। তিনি নিজে যমুনার পাড়ে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করতে পারেন অথবা ভিডিও কনফারেন্সে করতে পারেন। দু’টি জাপানি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বঙ্গবন্ধু সেতুর নির্মাণকাজ করবে।’


মন্ত্রী আরো বলেন, ‘সরকার ভারতের সাথে বাংলাদেশের ট্রেন পরিচালনার কথা ভাবছে। চিলাহাটি হলদিবাড়ি সাত কিলোমিটার রেললাইন সংযোগ সম্পন্ন হয়েছে। আশা করি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৭ ডিসেম্বর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাথে ভার্চুয়াল বৈঠকে এই রেলসংযোগ উদ্বোধন করবেন। এটি চালু হলে আমরা ঢাকা থেকে শিলিগুড়ি ট্রেন চালু করতে পারব।’

প্রকল্প সূত্র জানিয়েছে, যমুনা নদীর ওপর নির্মিত বঙ্গবন্ধু বহুমুখী সেতুর কয়েক শ’ গজ উত্তরে নতুন সেতুটি নির্মাণ হবে। ২০২৩ সাল পর্যন্ত প্রকল্পের মেয়াদ ধরা হলেও সংশোধিত প্রকল্পে সময়সীমা দুই বছর বাড়িয়ে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত করা হয়েছে। একইসাথে প্রকল্প ব্যয় ৯ হাজার ৭৩৪ কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৬ হাজার ৭৮১ কোটি টাকা করা হয়েছে।


জানা গেছে, বর্তমানে বঙ্গবন্ধু সেতু দিয়ে দিনে ৪৪টি ট্রেন চলাচল করে। সিঙ্গেল লাইন হওয়ায় সেতু পার হতে ট্রাফিক সিগন্যালে নষ্ট হয় বেশ খানিকটা সময়। ঈদের সময় শিডিউল বিপর্যয়ে পড়ে ট্রেন। নতুন ডাবল লাইন সেতুটি নির্মাণ সম্পন্ন হলে এই সমস্যা থেকে মুক্তি মিলবে বলে আশা সংশ্লিষ্টদের। রাজধানীর সাথে পশ্চিমাঞ্চলের রেল যোগাযোগব্যবস্থারও উন্নয়ন হবে ঢের। উল্লেখ্য, সেতুটি নির্মাণ হলে বঙ্গবন্ধু সেতুর রেললাইন তুলে নেয়া হবে।


এ ব্যাপারে প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী কামরুল আহসান জানান, ‘মূল সেতুটি দু’টি প্যাকেজের আওতায় বানানো হবে। নির্মাণ ব্যয়ের ৭২ শতাংশ ঋণসহায়তা দেবে জাপান (জাইকা)। সেতুটির পূর্ব অংশ নির্মাণ করবে ওবায়শি করপোরেশন, টিওএ করপোরেশন এবং জেএফই। এই অংশের জন্য ব্যয় হবে ৬ হাজার ৮০১ কোটি টাকা। আইএইচআই এবং এসএমসিসির যৌথ উদ্যোগে নির্মিত হবে পশ্চিম অংশ। এই অংশে ব্যয় হবে ৬ হাজার ১৪৮ কোটি টাকা। ইতোমধ্যে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে সাইট বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রকৌশলীরা আসতেও শুরু করেছেন।’

সংশ্লিষ্টরা জানান, বর্তমান সরকারের সময়ে যোগাযোগ ব্যবস্থায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন সাধিত হয়েছে এবং হচ্ছে। সেই ধারাবাহিকতায় রেল যোগাযোগ ব্যবস্থাতেও আমূল পরিবর্তন হয়েছে। সেতুটি উদ্ধোধন করা হলে তো উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রাখবে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

– দৈনিক পঞ্চগড় নিউজ ডেস্ক –