ব্রেকিং:
উত্তরাঞ্চলের যেখানে চোখ যায় প্রচুর বৃক্ষ দেখতে পাওয়া যায়: রংপুর বিভাগীয় কমিশনার কেএম তারিকুল ইসলাম গাইবান্ধা জেলার সব নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত নীলফামারীতে নতুন করে একজন করোনা পজেটিভ ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে ৫ ফার্মেসীকে জরিমানা বাংলাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৩৯ জন। এনিয়ে মোট মারা গেলেন ২,৪৯৬ জন। এছাড়া একই সময়ে আরও ২,৭৩৩ জন করোনাভাইরাসে সংক্রমিত রোগী শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে দেশে মোট শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়াল ১,৯৬,৩২৩ জন।
  • বৃহস্পতিবার   ১৬ জুলাই ২০২০ ||

  • শ্রাবণ ১ ১৪২৭

  • || ২৫ জ্বিলকদ ১৪৪১

সর্বশেষ:
শেখ হাসিনার কারাবরণ দিবস আজ কুুড়িগ্রামের দুই উপজেলায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি দুর্গম পাহাড়ে সেনাবাহিনীর ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ ‘ফাস্ট-ট্র্যাক’ প্রকল্পে মেট্রোরেল রুট ১ ও ৫ মাত্র ৯ টাকায় মিলবে দেশীয় গা‌ছের চারা- মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিন
১১৪

নিজের ধর্ষক ছেলেকেও পুড়িয়ে হত্যার দাবি জানালেন মা!

প্রকাশিত: ২ ডিসেম্বর ২০১৯  

ভারতের হায়দরাবাদে পশু চিকিৎসক এক তরুণীকে গণধর্ষণের পর পুড়িয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় চার অভিযুক্তকে গেফতার করেছে পুলিশ। ওই অভিযুক্তদের একজনের মা নিজের ছেলের চরম শাস্তির কথা সরাসরি বলেছেন।

এই গণধর্ষণ কাণ্ডে গোটা ভারত ক্ষোভে ফুঁসছে। দোষীদের চরম শাস্তির দাবিতে রাস্তায় নেমেছেন বহু মানুষ। দেশটির অন্যান্য রাজ্যেও প্রতিবাদ ও নিন্দার ঝড় উঠেছে।

এদিকে অভিযুক্তের মায়ের বক্তব্যের একটি ভিডিও সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। সেই ভিডিওটিতে তিনি বলেছেন, মেয়েটিকে যেভাবে পুড়িয়ে মারা হয়েছে, আমার ছেলেকেও যেন সেভাবেই পুড়িয়ে মারা হয়।‌

পাশাপাশি হায়দরাবাদ কাণ্ডের নির্যাতিতার মায়ের প্রতিও সমবেদনা জানিয়েছেন অভিযুক্তের মা। এর আগে নির্যাতিতার মা প্রকাশ্যে বলেছেন, ‌অভিযুক্তদের শরীরে প্রকাশ্যে আগুন ধরিয়ে দেয়া হোক। এবার ধর্ষকের মাও সেই একই দাবি তুললেন।

গত বুধবার রাতে কর্মস্থল থেকে ফেরার পথে তেলেঙ্গানার ওই তরুণী চিকিৎসককে চার ট্রাক চালক ও ক্লিনার কৌশলে নিজেদের ফাঁদে ফেলে গণধর্ষণ করে। পরের দিন সকালে ওই তরুণীর আগুনে পুড়ে যাওয়া মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তাকে কম্বলে মুড়িয়ে পেট্রোল ও ডিজেল ঢেলে শরীরে আগুন ধরিয়ে দেয়া হয়েছিল।

এর পরপরই ধর্ষণ ঘটনার সঙ্গে অভিযুক্ত সন্দেহে চারজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে তাদের ১৪ দিনের রিমান্ডে নেয়া হয়। তবে নির্যাতিতার পরিবারের আক্ষেপ, পুলিশ যদি দ্রুত তৎপর হতো তাহলে হয়তো বাঁচানো যেত তরুণীকে।

নির্যাতিতার বোনের অভিযোগ, এক থানা থেকে অন্য থানায় ঘোরাঘুরি করতেই দুই থেকে তিন ঘণ্টা চলে যায়। যখন তল্লাশি শুরু হয়, ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে যায়।

– দৈনিক পঞ্চগড় নিউজ ডেস্ক –
আন্তর্জাতিক বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর