• শুক্রবার   ১৮ জুন ২০২১ ||

  • আষাঢ় ৫ ১৪২৮

  • || ০৭ জ্বিলকদ ১৪৪২

সর্বশেষ:
জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার কাউন্সিলের সদস্য হলো বাংলাদেশ নতুন প্রজন্মকে অপরাধমূলক কাজ থেকে দূরে রাখতে হবে- শিক্ষামন্ত্রী রংপুরের শতরঞ্জি পেল জিআই পণ্যের স্বীকৃতি রৌমারীতে মাদরাসাছাত্রদের মারধরের অভিযোগে শিক্ষক আটক গ্রাহক সেবা বৃদ্ধি করার নির্দেশ বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রীর

বাংলাবান্ধা স্থল বন্দর দিয়ে রপ্তানী শুরু: ফিরেছে কর্মচাঞ্চল্য   

প্রকাশিত: ২৪ জুন ২০২০  

করোনা ভাইরাস ঠেকাতে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর দেশের একমাত্র চতুর্দেশীয় স্থল বন্দরে আমদানীর পাশাপাশি বুধবার শুরু  হয়েছে রপ্তানী কার্যক্রম। এর আগে ১৩ জুন শুরু হয় আমদানী কার্যক্রম। এদিকে ভিনদেশী, ব্যবসায়ী ও স্থানীয়দের সুবিধার্থে বন্দর এলাকায় ১ম বারের মত সোনালী ব্যাংকের এক নতুন শাখার উদ্বোধন করা হয়েছে।  

বুধবার (২৪ জুন) বেলা ১২ টার সময় বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরের ইমিগ্রেশন ভবনের ২য় তলায় এ ব্যাংক কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। এসময় ফিতা কেটে ব্যাংকের উদ্বোধন করেন রংপুরের সোনালী ব্যাংকের জেনারেল ম্যানেজার ও অফিস ইনচার্জ রশিদুল ইসলাম।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, সোনালী ব্যাংকের ডিজিএম আশরাফুল আলম, পঞ্চগড় আমদানী-রপ্তানীকারক এসোসিয়েশনের সভাপতি মেহেদী হাসান খান বাবলা, বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর সোনালী ব্যাংকের ম্যানেজার সবুক্তগীন শাকিল প্রমূখ। আমদানী রপ্তানী কার্যক্রম শুরু হওয়ার ফলে বন্দরে  ফিরেছে প্রাণ চাঞ্চল্য। ঘুরছে পাথর ক্র্যাশিং মেশিনের চাকা । সেই সাথে শুরু হয়েছে রাজস্ব আয়। 

করোনা সংকট মোকাবেলায় গত মার্চ মাসে বন্দরটি বন্ধ হয়ে যায়। করোনা সংক্রমন ঠেকাতে দেশের সর্বউত্তরের সম্ভানাময় স্থল বন্দর বাংলাবান্ধায় সকল কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাওয়ায় প্রায় ২০ হাজার শ্রমিক বেকার হয়ে পড়ে। কর্মহীন হয়ে পড়ে ব্যবসায়ি, সিএন্ড এফ এজেন্ট সহ আরোও কয়েক হাজার বন্দর সংশ্লিষ্ট মানুষ ।  গত ১৩ জুন  বন্দরটিতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সিমীত আকারে আমদানী কার্যক্রম শুরু হয়। জেলা প্রশাসনের দেয়া ১৩ টি  স্বাস্থ্য বিধির নির্দেশনা নিয়ে  প্রতিদিন ১০০ ট্রাক পাথর আমদানী শুরু করে ব্যবসায়িরা। ফলে বন্দরটিতে ফিরে আসে কর্ম চাঞ্চল্য । বেকার শ্রমিক ব্যবসায়িরা আবার আগের মতো ব্যস্ত হয়ে পড়ে। এই বন্দর দিয়ে ভারত, নেপাল ও ভূটানের সাথে সড়ক পথে আমদানি রপ্তানী কার্যক্রম চলে আসছে। আমদানী রপ্তানী কার্যক্রম শুরু হওয়ার সাথে সাথে সরকারের রাজস্ব আয়ও শুরু হয়েছে। পরিসংখ্যান বলছে দেশের একমাত্র চতুর্দেশীয় এই স্থল বন্দরে সরকারের রাজস্ব আয় প্রতিবছরই লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যায় ।  করোনা সংক্রমন ঠেকাতে ভারত , নেপাল, ভ’টান থেকে আসা ট্রাকের ড্রাইভারদের থার্মাল স্ক্যানার দিয়ে কভিট ১৯ ভাইরাস পরীক্ষা করা হচ্ছে। ট্রাকগুলোকে সেনিটাইজ করা হচ্ছে।  ব্যবসায়ি ও শ্রমিকদের দাবি আমদানির ক্ষেত্রে মাত্র ১০০ ট্রাকের অনুমোদন দেয়ায় সমস্যা হচ্ছে তাদের । তাদের দাবি এই সংখ্যা আরও বাড়ানো হোক।

শ্রমিক নেতা ও উপজেলা ভাইসচেয়ারম্যান মো. ইউসুফ আলী জানান, স্বাস্থ্য বিধি মেনে পাথর নির্ভর এই বন্দরের সকল কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। তবে বর্তমানে ১০০ ট্রাক পাথর আমদানীর অনুমোদন থাকায় অনেক শ্রমিক এখনো বেকার রয়েছে। তাই ট্রাকের সংখ্যা বাড়ানো দরকার। 

বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর আমাদানী রপ্তানীকারক এসোসিয়েসনের সভাপতি মেহেদী হাসান খান বাবলা জানান, জেলা প্রশাসনের স্বাস্থ্য বিধি ও বিভিন্ন নির্দেশনা মেনে আমদানী রপ্তানী কার্যক্রম চলছে। কোভিট ১৯ ভাইরাস যাতে ছড়িয়ে পড়তে না পারে সে ব্যপারে সংশ্লিষ্টদের সচেতন করা হচ্ছে । 

– দৈনিক পঞ্চগড় নিউজ ডেস্ক –