• বৃহস্পতিবার   ০৬ মে ২০২১ ||

  • বৈশাখ ২৩ ১৪২৮

  • || ২৩ রমজান ১৪৪২

সর্বশেষ:
আজ থেকে চলবে গণপরিবহন, মানতে হবে নির্দেশনা চাপ সামলে উঠছে অর্থনীতি, রেমিট্যান্স ও রিজার্ভে রেকর্ড ‘কৃষকের অ্যাপ’ দিয়ে ধান ক্রয় কার্যক্রমের উদ্বোধন ‘স্বাধীনতা স্তম্ভ নির্মাণ’ করতে সোহরাওয়ার্দীর গাছ কাটা হয়েছে’ পরিকল্পনা প্রণয়নে সরকারের উচ্চ পর্যায়ের কাজ শুরু

বিএনপিতে প্রবীণদের আধিপত্যে তরুণরা নিষ্ক্রিয়

প্রকাশিত: ১৫ এপ্রিল ২০২১  

বিএনপির রাজনীতিতে প্রবীণদের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। বিপরীতে তরুণরা দলটির নেতৃত্বে আসার সুযোগ কম পাচ্ছে। ফলে নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ছে দলটি।

দলীয় সূত্র বলছে, আগে বিএনপির পার্টি অফিসে একটা আমেজ থাকতো। দিন যত যাচ্ছে তত পার্টি অফিসের আমেজ চলে যাচ্ছে। নেতারা বয়সের ভারে নুয়ে পড়ছেন। আগের মতো তারা বক্তব্য রাখতে পারেন না। অনেকের আবার নানা শারীরিক জটিলতা দেখা দিয়েছে। এছাড়া বর্তমানে অনলাইনে দলীয় সভায় সবাই খোশ গল্প ছাড়া কর্ম পরিকল্পনা বা গঠনমূলক আলোচনা করতে পারেন না।

নির্ভরযোগ্য সূত্রের তথ্যমতে, দলীয় কর্মকাণ্ডের সঙ্গে বহুদিন যোগাযোগ নেই অনেক নেতার। তারা ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন ব্যবসা-বাণিজ্য আর নিজেদের সুস্থতা নিয়ে। কখনো সময় কাটছে বাসায়, আবার কখনো বা হাসপাতালে। এমন নেতার সংখ্যা এখন বিএনপিতে অসংখ্য। আর বয়সে তারা অধিকাংশই প্রবীণ।

এক অনুসন্ধানে জানা গেছে, বর্তমানে বিএনপির স্থায়ী কমিটিসহ গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ের বেশ কয়েকজন নেতা রাজনীতিতে পুরোপুরিভাবে নিষ্ক্রিয়। তাদের কোনো কাজেই পাওয়া যায় না। বিষয়টি নিয়ে তৃণমূলের মধ্যেও চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে।

তাদের ভাষ্য, দলীয় নেত্রী খালেদা জিয়া সরকারের নির্বাহী আদেশে মুক্ত রয়েছেন। তার শারীরিক অবস্থাও ভালো না। সম্প্রতি করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন তিনি। পাশাপাশি দলীয় মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরেরও বয়স হয়েছে। তিনি উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও হৃদরোগে ভুগছেন। ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, নজরুল ইসলাম খান, ড. মঈন খান, রুহুল কবির রিজভী, সেলিমা রহমানরাও অসুস্থ। বয়সের ভারে নুয়ে পড়েছেন। কালেভদ্রে ভার্চুয়াল বৈঠক করলেও রাজপথের কোনো কর্মসূচিতেই অংশ নিতে পারেন না তারা। সব মিলিয়ে প্রবীণদের কারণে নিষ্ক্রিয় অবস্থায় পড়ে আছে বিএনপি। এ অবস্থা থেকে উত্তরণে তরুণ ও মেধাবীদের জায়গা করে দেয়া জরুরি।

একই সুরে কথা বললেন বিএনপিপন্থী বুদ্ধিজীবী ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীও। তিনি বলেন, স্থায়ী কমিটির সদস্যরা মাঠে থাকলেই নেতাকর্মীরা উজ্জীবিত হবে। কিন্তু স্থায়ী কমিটিতে এখন যারা আছেন তাদের অধিকাংশেরই মাঠের রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার সামর্থ্য নেই। এজন্য স্থায়ী কমিটিতে তরুণদের জায়গা দিতে হবে। তরুণদের জায়গা না দিয়ে প্রবীণরা দলীয় ক্ষমতার আসন ধরে রাখলে বিএনপি আরো নিষ্ক্রিয় দলে পরিণত হবে।

– দৈনিক পঞ্চগড় নিউজ ডেস্ক –