ব্রেকিং:
মাস্কের ব্যবহার নিশ্চিত করতে এবার মাঠে নেমেছে র‌্যাব ঠাকুরগাঁওয়ে কৃষি পণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ প্রদর্শন মেলা ফুলবাড়ীতে পৗর নির্বাচন উপলক্ষে মাঠে নেমেছে প্রার্থীরা
  • শনিবার   ২৮ নভেম্বর ২০২০ ||

  • অগ্রাহায়ণ ১৩ ১৪২৭

  • || ১২ রবিউস সানি ১৪৪২

সর্বশেষ:
মেধাকে কাজে লাগাতে সরকারি কর্মচারীদের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর পঞ্চগড়ে টি ট্যুরিজমের অপার সম্ভাবনা এখন থেকেই উদ্যোগী না হলে দেশ পিছিয়ে যাবে- প্রধানমন্ত্রী ডিসেম্বরে বঙ্গবন্ধু টানেলের দ্বিতীয় টিউবের কাজ শুরু আলী যাকেরের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শোক

বিএনপির নারী নির্যাতনের নানা ঘটনা আজও ভুলেনি মানুষ

প্রকাশিত: ১২ নভেম্বর ২০২০  

বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে হত্যা, ধর্ষণ, লুটপাট, নারী নির্যাতন ও সংখ্যালঘু নির্যাতন ওতপ্রোতভাবে জড়িত। দলটির দুই দফা শাসনামলে দেশে নারী নির্যাতন ও ধর্ষণের ঘটনা মহামারি আকার ধারণ করে। বিএনপির শাসনামলে নারী নির্যাতনের ঘটনাগুলো মনে করে আজও শিউরে ওঠেন দেশবাসী।

১৯৯৩ সালে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) পরিসংখ্যান বিভাগের এক ছাত্রীকে তুলে নিয়ে সঙ্ঘবদ্ধ ধর্ষণ করে ছাত্রদল নেতা সীমান্ত, মিতুল ও জাপানসহ আরো কয়েকজন। পরিসংখ্যান বিভাগের সামনের জঙ্গলের মধ্যে তারা সঙ্ঘবদ্ধ ধর্ষণ করে। ঘটনার পর তৎকালীন তথ্যমন্ত্রী ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে যান এবং ছাত্রীর বাবাকে ডেকে ‘সমঝোতা’ করে দেন। 

এ ঘটনায় ওই ছাত্রী ক্যাম্পাস ছেড়ে চলে যান, আর কোনোদিন ক্যাম্পাসে ফেরেননি। এমনকি ছাত্রীর বাবাও কাঁদতে কাঁদতে ক্যাম্পাস চত্বর ছাড়েন। ছাত্রদল নেতাদের এমন ন্যক্কারজনক ঘটনায় দেশ ও বিদেশে তোলপাড় শুরু হয়। চরম বিপাকে পড়ে তৎকালীন বিএনপি সরকার। কিন্তু ধর্ষণে অভিযুক্ত ছাত্রদল নেতারা রয়ে যায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ধরাছোঁয়ার বাইরে।

এ ঘটনার পর ১৯৯৫ সালে পরিসংখ্যান বিভাগের আরেক ছাত্রীকে অর্থনীতি বিভাগের সামনে থেকে প্রকাশ্যে তুলে নিয়ে ধর্ষণ করে আগের অভিযুক্ত ছাত্রদল নেতা সীমান্ত। এ ঘটনায়ও সীমান্তের কোনো বিচার হয়নি। 

এদিকে ধর্ষণের শিকার সেই ছাত্রীও পড়াশোনা শেষ না করে জাবি ক্যাম্পাস ছাড়তে বাধ্য হন। তবে ছাত্রদল নেতা সীমান্ত একের পর এক ধর্ষণকাণ্ড ঘটিয়েও পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদ নিয়ে বের হয়। তৎকালীন ক্ষমতাসীন বিএনপির মদদে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সীমান্ত ও তার সহযোগীদের শাস্তি দেয়ার বিষয়টি বিবেচনাতেই নেয়নি।

এ প্রসঙ্গে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জাবির এক শিক্ষক বলেন, সে সময়ে ক্ষমতাসীন দলের রাজনৈতিক ক্যাডার হওয়ার কারণে ধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধ করেও পার পেয়ে যায় সীমান্ত। রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় ওই সময় ছাত্রদল নেতা-কর্মীদের জন্য অপরাধের নিরাপদ আশ্রয়স্থল হয়ে ওঠে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়।

– দৈনিক পঞ্চগড় নিউজ ডেস্ক –