ব্রেকিং:
করোনায় আক্রান্ত হয়ে রংপুর বিভাগের কুড়িগ্রামে আরো একজনের মৃত্যু। রংপুর নগরীতে করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে জীবাণুনাশক স্প্রে করছে সিটি কর্পোরেশন।
  • শুক্রবার   ১৬ এপ্রিল ২০২১ ||

  • বৈশাখ ২ ১৪২৮

  • || ০৩ রমজান ১৪৪২

সর্বশেষ:
রংপুর নগরীর শাপলা চত্বর এলাকায় র‌্যাব-১৩ এর উদ্যোগে করোনা সংক্রমণ রোধে জনসচেতনতামূলক প্রচারণা চলছে। করোনাভাইরাস সংক্রমণ মোকাবিলায় সারাদেশে দ্বিতীয় দিনের মতো সর্বাত্মক লকডাউন চলছে। প্রবাসী কর্মীদের জন্য বিশেষ ফ্লাইটের ব্যবস্থা করছে সরকার বসুন্ধরার হাসপাতাল ‘উধাও’ হয়নি, বণ্টন হয়েছে- স্বাস্থ্যের ডিজি রংপুরসহ দেশের তিন বিভাগ ও দুই জেলার একাধিক স্থানে কালবৈশাখী ঝড়ের আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সর্বাত্মক লকডাউনের দ্বিতীয় দিনেও রংপুরে রাস্তার মোড়ে মোড়ে বসেছে পুলিশের চেকপোস্ট।

মিঠাপুকুরে অপহৃত ব্যবসায়ী উদ্ধার, নারীসহ গ্রেফতার ৩

প্রকাশিত: ২ মার্চ ২০২১  

রংপুরের মিঠাপুকুরে অপহরণের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অপহৃত ব্যবসায়ী হাছান আলীকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ সময় এক নারীসহ তিন অপহরণকারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে রংপুর জেলা পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার সরকার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, অপহরণের শিকার হাছান আলী মিঠাপুকুর উপজেলার কাশেমপুর পোড়া চাকলা গ্রামের মৃত মফিজ উদ্দিনের ছেলে। ২৮ ফেব্রুয়ারি সকাল ৯টায় ব্যবসার কাজ শেষে শুকুরেরহাট বাজার থেকে ফেরার পথে অপহরণের শিকার হন। সোমবার (০১ মার্চ) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে পীরগাছার দেউতি এলাকা থেকে হাছান আলীকে উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে অপহরণের ঘটনায় জড়িত এক নারীসহ তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতাররা হলেন, মিঠাপুকুর উপজেলার জায়গীর দুর্গাপুর গ্রামের লাবনী বেগম, শামীম মিয়া এবং গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের চাচিয়া মীরগঞ্জ গ্রামের শাহীন মিয়া।

এসপি বিপ্লব কুমার সরকার জানান, ২৮ ফেব্রুয়ারি সকাল ৯টার দিকে শুকুরেরহাট বাজারে আসেন হাছান আলী। এরপর তার খোঁজ পাচ্ছিলেন না স্বজনেরা। সকাল ১০টার দিকে হাছান আলীর মোবাইল থেকে কল দিয়ে স্ত্রী ও আত্মীয়দের দেড় লাখ টাকা পাঠাতে বলেন অপহরণকারী চক্রের সদস্যরা। তা না হলে হাছানকে ফেরত পাবে না বলে জানান তারা।

উপায় না পেয়ে মিঠাপুকুর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন হাছান আলীর স্বজনরা। সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে পীরগাছার দেউতি এলাকায় অভিযান চালিয়ে হাছান আলীকে উদ্ধার ও তিন অপহরণকারীকে গ্রেফতার করা হয়। এ ঘটনায় মিঠাপুকুর থানায় মামলা হয়েছে। মঙ্গলবার আদালতের মাধ্যমে গ্রেফতারদের জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

এসপি আরো জানান, পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতাররা সংঘবদ্ধ অপহরণকারী চক্রের সদস্য বলে স্বীকার করেছেন। দীর্ঘদিন এ ধরনের অপরাধ করে আসছেন তারা। চক্রের সদস্যরা ফেসবুক ও মোবাইলে কথা বলে বন্ধুত্ব গড়েন। পরে দেখা করার কথা বলে ডেকে নিয়ে সবকিছু ছিনিয়ে নেন। কখনো জিম্মি করে পরিবারের কাছ থেকে টাকা দাবি করেন। টাকা না দিলে অপহৃতদের ওপর অমানবিক নির্যাতন চালান তারা।

– দৈনিক পঞ্চগড় নিউজ ডেস্ক –