ব্রেকিং:
করোনায় আক্রান্ত হয়ে রংপুর বিভাগের কুড়িগ্রামে আরো একজনের মৃত্যু। রংপুর নগরীতে করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে জীবাণুনাশক স্প্রে করছে সিটি কর্পোরেশন।
  • শুক্রবার   ১৬ এপ্রিল ২০২১ ||

  • বৈশাখ ২ ১৪২৮

  • || ০৩ রমজান ১৪৪২

সর্বশেষ:
রংপুর নগরীর শাপলা চত্বর এলাকায় র‌্যাব-১৩ এর উদ্যোগে করোনা সংক্রমণ রোধে জনসচেতনতামূলক প্রচারণা চলছে। করোনাভাইরাস সংক্রমণ মোকাবিলায় সারাদেশে দ্বিতীয় দিনের মতো সর্বাত্মক লকডাউন চলছে। প্রবাসী কর্মীদের জন্য বিশেষ ফ্লাইটের ব্যবস্থা করছে সরকার বসুন্ধরার হাসপাতাল ‘উধাও’ হয়নি, বণ্টন হয়েছে- স্বাস্থ্যের ডিজি রংপুরসহ দেশের তিন বিভাগ ও দুই জেলার একাধিক স্থানে কালবৈশাখী ঝড়ের আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সর্বাত্মক লকডাউনের দ্বিতীয় দিনেও রংপুরে রাস্তার মোড়ে মোড়ে বসেছে পুলিশের চেকপোস্ট।

যান চলাচলে বাংলাদেশের আয় ১৭ শতাংশ বাড়বে

প্রকাশিত: ১০ মার্চ ২০২১  

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বিরামহীন যান চলাচলে দুই দেশেরই জাতীয় আয় বাড়বে। মঙ্গলবার এক প্রতিবেদনে বিশ্বব্যাংক এ তথ্য জানিয়েছে।

‘কানেক্টিং টু থ্রাইভ: চ্যালেঞ্জেস অ্যান্ড অপরচুনিটিস অব ট্রান্সপোর্ট ইন্টিগ্রেশন ইন ইস্টার্ন সাউথ এশিয়া’ শীর্ষক ওই প্রতিবেদনে বিশ্বব্যাংক জানায়, বাংলাদেশের জাতীয় আয়ের পরিমাণ বাড়বে ১৭ শতাংশ এবং ভারতের আয় বাড়বে আট শতাংশ।

ওই প্রতিবেদনে বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশ-ভুটান-ভারত-নেপালের (বিবিআইএন) মোটর ভেহিক্যাল অ্যাগ্রিমেন্ট (এমভিএ) নিয়ে বিশ্লেষণ করেছে।

প্রতিবেদনে এমভিএকে আরো শক্তিশালী করতে দেশগুলো গ্রহণ করতে পারে এমন আঞ্চলিক নীতিমালা সম্পর্কেও আলোচনা করা হয়েছে এবং অবকাঠামোগত বিনিয়োগকে অগ্রাধিকার দিতে প্রস্তাব করা হয়েছে, যা দেশগুলোকে সর্বাধিক সুবিধা নিতে সহায়তা করবে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে বাংলাদেশের মোট বাণিজ্যের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য মাত্র ১০ শতাংশ এবং ভারতের মোট বাণিজ্যের মাত্র এক শতাংশ। উচ্চশুল্ক, প্যারা-শুল্ক ও ননট্যারিফ বাধাগুলো মূলত এখানে প্রধান বাণিজ্য বাধা হিসাবে কাজ করে। বাংলাদেশ ও ভারতে সাধারণ গড় শুল্ক বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি।

রিপোর্টে বলা হয়েছে, দুর্বল পরিবহন যোগাযোগের কারণে বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্তে গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট বেনাপোল-পেট্রোপোল অতিক্রম করতে কয়েক দিন সময় লাগে। বিপরীতে পূর্ব আফ্রিকাসহ বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলে একই ধরনের দীর্ঘ সীমান্ত অতিক্রম করতে ছয় ঘণ্টারও কম সময় লাগে।

প্রতিবেদনে ধারণা করা হয়েছে, সীমান্ত যদি ভারতীয় ট্রাকের জন্য উন্মুক্ত থাকে, তবে আগরতলা থেকে পণ্যগুলো বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাতে মাত্র ২০০ কিলোমিটার ভ্রমণ করতে হবে এবং পরিবহন ব্যয় ৮০ শতাংশ কমবে।

এছাড়াও চুক্তির আওতায় থাকা দেশগুলোকে অবকাঠামোগত ঘাটতি, বিশেষত নির্ধারিত সীমান্ত পোস্টগুলোতে নিয়ম-কানুন ও শুল্কের পদ্ধতির সমন্বয়ের জন্য অনেকগুলো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

প্রতিবেদনে এমভিএকে আরো শক্তিশালী করতে দেশগুলোকে সঠিক নীতিগত পদক্ষেপ নিতে পরামর্শ দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ড্রাইভারের লাইসেন্সিং এবং ভিসার শৃঙ্খলা, একটি দক্ষ আঞ্চলিক ট্রানজিট ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা, বাণিজ্য ও পরিবহনের নথিগুলো ডিজিটালাইজড করাসহ আরো অন্যান্য বিষয়।

– দৈনিক পঞ্চগড় নিউজ ডেস্ক –