বুধবার   ১১ ডিসেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ২৭ ১৪২৬   ১৩ রবিউস সানি ১৪৪১

৩৭

রংপুরের মিঠাপুকুরের পেট্রোল পাম্পগুলোতে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট

প্রকাশিত: ১ ডিসেম্বর ২০১৯  

রংপুরের মিঠাপুকুরের পেট্রোল পাম্পগুলোতে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট চলছে।

রোববার সকাল ৬টা থেকে ১৫ দফা দাবিতে এ ধর্মঘট শুরু হয়। 

সকাল থেকে মিঠাপুকুর উপজেলার পেট্রোল পাম্পগুলো বন্ধ থাকতে দেখা গেছে। কিছু পাম্প খোলা থাকলেও জ্বালানি তেল বিক্রয় সেবা বন্ধ রয়েছে। 

ধর্মঘটের কারণে পাম্পগুলোতে জ্বালানি তেল বিপণন বন্ধ থাকায় মোটরসাইকেল চালকসহ বিভিন্ন পরিবহনের শ্রমিকরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। 

বিশেষ করে ধর্মঘটের বিষয়টি বেশিরভাগ মানুষের অজানা থাকায় পাম্পে তেল নিতে এসে হতাশ হয়ে ফিরে যাচ্ছেন। অনেক গ্রাহক কর্মবিরতির নামে ডাকা এ ধর্মঘটে সাধারণ মানুষ ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন।

মেসার্স শাহ ফিলিং স্টেশনের মালিক মো. শাহাজাদা মিয়া বলেন, চাহিদার তুলনায় অর্ধেরও কম জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হয়। আমাদের দাবি মেনে না নেয়া পর্যন্ত এ ধর্মঘট চলবে। 

পাম্পে পেট্রোল নিতে আসা মোটসাইকেল চালক মঞ্জুরুল মিয়া বলেন, আমি ধর্মঘটের কথা জানতাম না। তেল নিতে এসে জানলাম। জরুরি কাজে রংপুর শহরে যাব, তেল না পেয়ে হতাশায় পড়ে গেলাম।

রংপুর, খুলনা ও রাজশাহী বিভাগের সব ডিপোতে চলছে এ ধর্মঘট। এতে জ্বালনি তেল উঠানো, পরিবহন ও বিপণন কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন ও ট্যাংক-লরি মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদ অনির্দিষ্টকালের জন্য এ ধর্মঘটের আহ্বান করেছে। 

রংপুর জ্বালনি তেল সংরক্ষণাগার মেঘনা, পদ্মা ও যমুনা পেট্রোলিয়াম কোম্পনি সূত্রে জানা গেছে, তাদের আওতায় রংপুর, গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম ও লালমনিরহাটে মোট ফিলিং স্টেশন রয়েছে ১৫২টি। এর মধ্যে রংপুরে রয়েছে ৮৫টি। 

এসব ফিলিং স্টেশনে মজুদের ক্ষমতা রয়েছে ডিজেল ২৭ লাখ, কেরোসিন ১০ লাখ ৬০ হাজার, পেট্রোল ৬ লাখ ও অকটেন ৬ লাখ ৮০ হাজার লিটার। চাহিদা রয়েছে ডিজেল ১ কোটি ২৫ লাখ, পেট্রোল ২৫ লাখ ৫০ হাজার ও অকটেন ৪ লাখ ৪০ হাজার লিটার। 

কিন্তু চাহিদার তুলনায় রংপুরে অর্ধেকেরও কম জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হয়।

– দৈনিক পঞ্চগড় নিউজ ডেস্ক –
এই বিভাগের আরো খবর