ব্রেকিং:
সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন শ্রেণিতে পরীক্ষা ছাড়াই অটো প্রমোশন (পাস) দেয়া হবে মর্মে প্রতিবেদন ছাপা হয়েছে। বিষয়টি ভিত্তিহীন ও গুজব বলে জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
  • বৃহস্পতিবার   ০৯ জুলাই ২০২০ ||

  • আষাঢ় ২৫ ১৪২৭

  • || ১৮ জ্বিলকদ ১৪৪১

সর্বশেষ:
করোনা দুর্যোগ নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রয়েছে- প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশি নায়িকাকে কুপ্রস্তাব দিল ভারতীয় পরিচালক! এখনো বাতিল হয়নি এশিয়া কাপ- পিসিবি মাইক্রোসফট রিসার্চ ডেসার্টেশন গ্রান্ট পুরস্কার পেল দুই বাংলাদেশি করোনা শনাক্তে প্রতারণায় কঠোর অবস্থানে সরকার- কাদের
৫৯

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আইসোলেশন ও ট্রিটমেন্ট সেন্টার চালু

প্রকাশিত: ৩০ জুন ২০২০  

বাংলাদেশে কোভিড-১৯ স্বাস্থ্য সংকটের শুরু থেকেই কক্সবাজারে মানবিক সহায়তা কাজে নিয়োজিত সংস্থাগুলো মহামারী মোকাবিলায় কাজ করছে। মানবিক সহায়তায় স্বাস্থ্যসেবার নতুন নতুন প্রয়াসের মধ্যে রয়েছে পর্যাপ্ত সরঞ্জামাদি এবং  করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্তদের জন্য যথাযথ স্বাস্থ্যব্যবস্থা সম্বলিত নতুন নতুন সিভিয়ার একিউট রেস্পিরেটরি ইনফেকশন (এসএআরআই-গুরুতর তীব্র শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ) আইসোলেশন অ্যান্ড ট্রিটমেন্ট সেন্টার (আইটিসি) নির্মাণ। এছাড়া চলমান স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রগুলো নির্মাণ এবং পুননির্মাণ করার কাজও চলছে।

রোববার দুপুরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেন আইওএমের ন্যাশনাল কমিউনিকেশন অফিসার তারেক মাহমুদ।  

চলতি সপ্তাহে শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনারের কার্যালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে জাতিসংঘের অভিবাসন বিষয়ক সংস্থা আইওএম দুইটি এসএআরআই আইটিসি নির্মাণ করেছে যার মাধ্যমে কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফ উপজেলার স্থানীয় জনগোষ্ঠী এবং রোহিঙ্গা শরণার্থীদের স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্প ২৪ (লেদা) এবং উখিয়ার ক্যাম্প-২ তে নির্মিত এই দুইটি বিশেষায়িত কোভিড-১৯ স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে বর্তমানে ৪৭টি শয্যা রয়েছে। জুলাই মাসের মধ্যেই স্বাস্থ্যসেবাসহ শয্যা সংখ্যা ১১০-এ উন্নীত করা হবে। এই দুইটি কেন্দ্রের মাধ্যমে জেলায় আইওএম-এর সামগ্রিক স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমে ভূমিকা রাখবে। এছাড়া শীঘ্রই উখিয়ার কুতুপালংয়ে ক্যাম্প ২০ (এক্সটেনশন)-এ আরো একটি ১২০-শয্যার আইসোলেশন সেন্টারের কাজ শেষ হবে।

উল্লেখিত, দুইটি এসএআরআই আইটিসির পাশাপাশি এখন পর্যন্ত আইওএম-এর মাইগ্রেশন হেলথ ডিভিশন কক্সবাজারে আরো দুইটি প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রের পুনর্গঠন করেছে। এখানে প্রাথমিকভাবে সম্ভাব্য রোগীদের পরবর্তী রেফারেলের জন্য সাময়িক পৃথকীকরণ সুবিধা এবং সেন্টিনাল টেস্টিং এর ব্যবস্থা রয়েছে। কক্সবাজারের চকরিয়া এবং রামু উপজেলায় সরকারের পরিচালনাধীন আইসোলেশন সেন্টারগুলোতে সহায়তার জন্য আইওএম স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, সিভিল সার্জন অফিস এবং বিশ্ব ব্যাংকের সাথে সমন্বয় করছে।

গত ২৭ জুন পর্যন্ত, রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কোভিড-১৯ আক্রান্তের সংখ্যা ৪৭ জন। আইওএম ৩৫টি প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা চালিয়ে যাচ্ছে। ৪৬৫ জন ব্যক্তির ধারণক্ষমতা সম্পন্ন একটি ৯৩-ইউনিটের আইসোলেশন সেন্টার নির্মাণ কাজ শেষের পথে। পাশাপাশি ৫০টি আশ্রয়সেবা কার্যকর করা হয়েছে যেখানে ২৫০ জনকে কোয়ারেন্টাইনে রাখা যাবে।

– দৈনিক পঞ্চগড় নিউজ ডেস্ক –
জাতীয় বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর