ব্রেকিং:
বাংলাদেশে পৌঁছেছে ভারতের উপহারের ২০ লাখ ডোজ করোনা টিকা ‘কোভিশিল্ড’। বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার কিছু আগে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে এয়ার ইন্ডিয়ার বিশেষ ফ্লাইটটি। অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার এ টিকা বাংলাদেশকে উপহার হিসেবে দিলো ভারত সরকার।
  • শুক্রবার   ২২ জানুয়ারি ২০২১ ||

  • মাঘ ৮ ১৪২৭

  • || ০৮ জমাদিউস সানি ১৪৪২

সর্বশেষ:
দেশে করোনার টিকাদান শুরু হবে ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী মুজিববর্ষ উপলক্ষে ৯ লাখ পরিবারকে বাড়ি দিচ্ছে সরকার ঠাকুরগাঁওয়ে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে পলিথিনে ঢাকা বীজতলা ৪’শ কোটি টাকায় প্রতিবন্ধীদের জন্য ক্রীড়া কমপ্লেক্স করবে সরকার বিনাশুল্কে বাংলাদেশি ৮২৫৬ পণ্য যাচ্ছে চীনের বাজারে

৩ ব্যাংক থেকে প্রণোদনার তহবিল পাবে ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠান

প্রকাশিত: ৮ জানুয়ারি ২০২১  

করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত নিম্ন আয়ের পেশাজীবীদের জন্য গঠিত তিন হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজের আওতায় আগে একটি ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠান একাধিক ব্যাংক থেকে ঋণ নিতে পারত না।

করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত নিম্ন আয়ের পেশাজীবীদের জন্য গঠিত তিন হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজের ঋণ বিতরণে গতি বাড়াতে নতুন করে নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

নির্দেশনা অনুযায়ী, এখন থেকে একটি ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠান এই প্যাকেজের আওতায় সর্বোচ্চ তিনটি ব্যাংক থেকে ঋণ নিতে পারবে। সোমবার এ সংক্রান্ত সার্কুলার জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক অন্তর্ভূক্তি বিভাগ। আগে একটি ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠান একাধিক ব্যাংক থেকে ঋণ নিতে পারত না।

বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তিন হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজের আওতায় নিম্ন আয়ের পেশাজীবী, কৃষক ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ঋণ দেয়া হয় মূলত ক্ষুদ্রঋণদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে।

গত ২০ এপ্রিল প্রণোদনা প্যাকেজটি গঠন করে বাংলাদেশ ব্যাংক। প্যাকেজের পুরো টাকাই বাংলাদেশ ব্যাংক জোগান দিচ্ছে। অর্থাৎ ব্যাংকগুলোর নিজেদের তহবিল থেকে এই ঋণ দিতে হয় না।

কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো মাত্র ১ শতাংশ সুদে এই তহবিল থেকে ঋণ পায়। ওই ঋণ আবার ৩.৫ শতাংশ সুদে বিতরণ করা হয় ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানগুলোকে। গ্রাহক পর্যায়ে এই ঋণের সুদ পড়ে ৯ শতাংশ।

সর্বশেষ তথ্যমতে, অক্টোবর পর্যন্ত ওই প্যাকেজের আওতায় ৮৫টি ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠান ঋণ পেয়েছে। এজন্য বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ১ হাজার ৩৫০ কোটি টাকা পেয়েছে ব্যাংকগুলো।

এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক মো. সিরাজুর ইসলাম বলেন, ‘আগে কেবল একটি ব্যাংক থেকে ঋণ নেয়ার বাধ্যবাধকতা থাকায় অনেক ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠান পর্যাপ্ত ঋণ পাচ্ছিল না।

‘এখন ব্যাংকের সংখ্যা বাড়ানোয় ঋণের সীমা পূর্ণ হয়নি এমন ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠান অন্য ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে উপকারভোগীদের মাঝে বিতরণ করতে পারবে।’

– দৈনিক পঞ্চগড় নিউজ ডেস্ক –