ব্রেকিং:
বিশ্ব গণতন্ত্র সূচকে ৮ ধাপ এগিয়ে বাংলাদেশ।

শুক্রবার   ২৪ জানুয়ারি ২০২০   মাঘ ১০ ১৪২৬   ২৮ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১

সর্বশেষ:
বেরোবি ছাত্রলীগ নেতার মামলায় অপর পক্ষের নেতা কারাগারে। আদিতমারীতে বিদ্যালয়ের মাঠ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের দখলে! এক বছরে রংপুরে ২৮ জঙ্গি গ্রেফতার। ঠাকুরগাঁওয়ে ১৪৪ ধারা জারি। হাইকোর্টের রায় অমান্য করে জমি দখল! ইসরাইলের অবৈধ স্থাপনা সরাতে নিরাপত্তা পরিষদকে আহ্বান বাংলাদেশের। এই প্রথম রংপুরে আধুনিক মানের ডাকবাংলো নির্মিত হচ্ছে ছাত্রদলের ১২ ইউনিট কমিটি ভেঙ্গে দেয়া হলো নীলফামারীতে। বিজিবি-বিএসএফ উচ্চ পর্যায়ে পতাকা বৈঠক। দুই সিটি নির্বাচন স্থগিত চেয়ে রিটের শুনানি রোববার। নিম্ন আদালতে বিচারক নিয়োগে বাতিল নারী কোটা ইরানি ব্যবসায়ীদের ভিসা বন্ধের সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্রের অবশ্যই সাফল্য নিয়ে দেশে ফিরবে বাংলাদেশ- সাকিব নির্বাচনের দিন সাংবাদিকদের মোটরসাইকেল ব্যবহারে বাধা। সিটি নির্বাচন: মাঠে থাকবে ৪০ হাজার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এবার বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর প্রভাবশালী কমান্ডারকে হত্যা।

খ্যাতিমান চিত্রগ্রাহক মাহফুজুর রহমান খান মারা গেছেন

প্রকাশিত: ৬ ডিসেম্বর ২০১৯  

শ্রাবণ মেঘের দিন, ঘেটুপুত্র কমলা, আগুনের পরশমনিসহ অসংখ্য সিনেমার চিত্রগ্রাহক মাহফুজুর রহমান খান মারা গেছেন। রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে রাত ১২ টা ২৬ মিনিটে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেন মাহফুজুর রহমান খানের ভাতিজা শাহাদাত রহমান খান।

শাহাদাত রহমান খান জানান, শুক্রবার জুমার নামাজের পর চকবাজারের শাহী মসজিদে তার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর বিকেল তিনটায় দীর্ঘদিনের কর্মস্থল বিএফডিসিতে নেয়া হবে, সেখানে তার দ্বিতীয় জানাজা হবে। এরপর মাহফুজুর রহমান খানকে আজিমপুর কবরস্থানে দাফন করা হবে।

এর আগে ২৫ নভেম্বর রাতে পুরান ঢাকার বাসায় খাবার খাওয়ার সময় লাংসের (ফুসফুসে) মধ্যে খাবার ঢুকে অসুস্থ হয়ে পড়েন। এরপর কাশির সঙ্গে রক্তপাত হতে থাকলে রাত দশটা নাগাদ স্বজনরা তাকে রাজধানীর গ্রিনলাইফ হাসপাতালে নিয়ে আসেন। সেখানে লাইফ সাপোর্টে থাকার পর ৩০ নভেম্বর পারিবারিক সিদ্ধান্তে ইউনাইটেডের হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়।

উল্লেখ্য, মাহফুজুর রহমান খান ১৯৪৯ সালের ১৯ মে পুরান ঢাকার হেকিম হাবিবুর রহমান রোডের এক বনেদী পরিবিরে জন্ম গ্রহণ করেন। পেশাদার চিত্রগ্রাহক হিসেবে তিনি ১৯৭২ সালে প্রথম চলচ্চিত্রে কাজ করেন। তিনি আলমগীর কবির, আলমগীর কুমকুম, হুমায়ুন আহমেদ, শিবলি সাদিকদের মত চলচ্চিত্র পরিচালকদের সঙ্গে কাজ করেছেন।

চলচ্চিত্রে চিত্রগ্রহণের জন্য তিনি নয়বার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, আটবার বাচসাস পুরস্কার এবং একবার বিশেষ বিভাগে মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার লাভ করেন।

– দৈনিক পঞ্চগড় নিউজ ডেস্ক –