• বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪ ||

  • শ্রাবণ ২ ১৪৩১

  • || ১০ মুহররম ১৪৪৬

সর্বশেষ:
আশা করি শিক্ষার্থীরা আদালত থেকে ন্যায়বিচার পাবে: প্রধানমন্ত্রী। নিহতদের পরিবারের জীবন জীবিকার ব্যবস্থা করে দেব: প্রধানমন্ত্রী। শিক্ষার্থী হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের উপযুক্ত শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে: প্রধানমন্ত্রী। বিশ্ববাজারে স্বর্ণ মূল্যের নতুন রেকর্ড। বৃহস্পতিবার ঢাকায় মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশের ডাক।

দ্বিতীয় দিনেও সর্বাত্মক কর্মবিরতি পালন করছে বেরোবি শিক্ষকরা

প্রকাশিত: ২ জুলাই ২০২৪  

জারিকৃত সর্বজনীন পেনশন ‘প্রত্যয় স্কিম’ প্রত্যাহার সহ তিনদফা দাবিতে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতির দ্বিতীয় দিন পালন করছে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শিক্ষকরা। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ে সৃষ্টি হয়েছে অচলাবস্থার। ক্লাস ও পরীক্ষা বন্ধ থাকায় ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা। এতে সেশনজটের শঙ্কায় রয়েছে শিক্ষার্থীরা।   

মঙ্গলবার (২ জুলাই) বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের পূর্বঘোষিত কর্মসূচির সাথে একাত্মতা পোষণ করে সকাল থেকেই সর্বাত্মক পূর্ণ কর্মবিরতি পালন করছেন বেরোবির শিক্ষকরা। 

বৃষ্টি উপেক্ষা করে বেরোবি শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. বিজন মোহন চাকী ও সাধারণ সম্পাদক সহযোগী অধ্যাপক আসাদুজ্জামান মন্ডলের নেতৃত্বে শিক্ষকেরা দুপুর ১২টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের দক্ষিণ গেটে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। অপরদিকে কর্মকর্তারা সকাল থেকেই কর্মবিরতি দিয়ে কর্মসূচি পালন করছেন। অলস সময় পার করতে দেখা গেছে কর্মচারীদের।

সরেজমিনে দেখা যায়, সকাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের প্রধান ফটকে তালা ঝোলানো। যে সকল বিভাগ খোলা হয়েছে-সেগুলোর ক্লাসরুমগুলো তালাবদ্ধ। ক্যাম্পাসে নেই শিক্ষার্থীদের আনাগোনা। একাডেমিক ব্যস্ততার জায়গাগুলোতে বিরাজ করছে সুনসান নীরবতা। 

বেরোবি শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান মন্ডল আসাদ বলেন, বৈষম্যমূলক এই পেনশন স্কীম জোর করে চাপিয়ে দেয়া হয়েছে। আমরা যে আন্দোলন করছি, সেটা শুধু আমাদের আন্দোলন নয়, এটা আমাদের শিক্ষার্থী ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আন্দোলন।

বেরোবি শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. বিজন মোহন চাকী বলেন, সরকার আমাদের দাবি পূরণ না করা পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। এ সময় সকল ক্লাস পরীক্ষা বন্ধ থাকবে। সরকার আমাদের দাবি মেনে নিলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা তাদের স্বাভাবিক কার্যক্রমে ফিরে যাবে।

প্রসঙ্গত, চলতি বছর ১৩ মার্চ সর্বজনীন পেনশন সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। আর এতে ‘প্রত্যয় স্কিম’ এ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়। অন্তর্ভূক্তির শুরু থেকেই এই ব্যবস্থাকে একটি বৈষম্যমূলক ব্যবস্থা বলে বাতিলের দাবি জানিয়ে আসছে বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সংগঠনগুলো। বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের আহবানে এ সংগঠনগুলো দাবি আদায়ে বেশ কিছু কর্মসূচী পালন করে।

– দৈনিক পঞ্চগড় নিউজ ডেস্ক –