• বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪ ||

  • শ্রাবণ ২ ১৪৩১

  • || ১০ মুহররম ১৪৪৬

সর্বশেষ:
আশা করি শিক্ষার্থীরা আদালত থেকে ন্যায়বিচার পাবে: প্রধানমন্ত্রী। নিহতদের পরিবারের জীবন জীবিকার ব্যবস্থা করে দেব: প্রধানমন্ত্রী। শিক্ষার্থী হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের উপযুক্ত শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে: প্রধানমন্ত্রী। বিশ্ববাজারে স্বর্ণ মূল্যের নতুন রেকর্ড। বৃহস্পতিবার ঢাকায় মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশের ডাক।

আলোচনায় বাধা সৃষ্টি করছেন নেতানিয়াহু, অভিযোগ হামাসের

প্রকাশিত: ৯ জুলাই ২০২৪  

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকাজুড়ে ইসরায়েলি হামলা যুদ্ধের অবসানে ক্রমবর্ধমান শান্তি আলোচনায় নতুন নতুন বাধা সৃষ্টি করার জন্য ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। চলতি সপ্তাহে হামাস-ইসরায়েল পরোক্ষ আলোচনা শুরু হওয়ার প্রেক্ষাপটে এই অভিযোগ করলেন ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস।

সোমবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে হামাস বলেছে, আমরা চুক্তিকে সহজতর করার লক্ষ্যে নমনীয়তা ও ইতিবাচকতা দেখিয়েছি কিন্তু নেতানিয়াহু আলোচনার পথে আরো বাঁধা সৃষ্টি করছেন। তিনি আমাদের জনগণের বিরুদ্ধে তার আগ্রাসন ও অপরাধ বাড়িয়েই যাচ্ছেন এবং তাদের জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত করার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর সমস্ত প্রচেষ্টাকে ব্যর্থ করতে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। এছাড়া নেতানিয়াহু 'মনোস্তাতাত্ত্বিক যুদ্ধ' করছেন বলেও অভিযোগ করেছে হামাস।

হামাস শান্তি আলোচনার জন্য কিছুটা নমনীয়তা প্রদর্শন করলে যুদ্ধবিরতি এবং পণবন্দী মুক্তির ব্যাপারে আশাবাদের সৃষ্টি হয়। তবে এরপর রোববার নেতানিয়াহু চারটি দাবি জানালে নতুন করে অশ্চিয়তার সৃষ্টি হয়। তার একটি শর্ত ছিল যুদ্ধবিরতি হলেও তারা যেকোনো সময় আবার যুদ্ধ শুরু করতে পারবে। তার এই দাবি আলোচকদের মধ্যে বেশ ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। এমনকি ইসরায়েলি নিরাপত্তা কর্মকর্তারাও এতে ক্ষুব্ধ হয়।

সোমবার এক বিবৃতিতে হামাস প্রধান ইসমাইল হানিয়া সতর্ক করে দিয়ে বলেন, গাজায় যা ঘটছে তার বিপর্যয়কর পরিণতি হিসেবে আলোচনা প্রক্রিয়াকে পুনরায় নতুন করে শুরু করার জায়গায় নিয়ে যেতে পারে।

গাজায় ফিলিস্তিনের সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীকে উদ্ধৃত করে হামাস বলেছে, নেতানিয়াহু এবং তার সেনাবাহিনী ‘এই পথের পতনের সম্পূর্ণ দায়ভার বহন করবে’।

এদিকে ইসরাইল, মিসর ও মার্কিন কর্মকর্তারা রাফা ক্রসিং আবার খুলে দেয়া এবং মিসর-গাজা সীমান্ত দিয়ে অস্ত্র চোরাচালান ঠেকানোর জন্য আলোচনা শুরু করেছেন। তাদের আলোচনায় পণবন্দীদের মুক্তির বিষয়টিও রয়েছে।

মার্কিন আলোচক দলের নেতৃত্বে রয়েছেন হোয়াইট হাউসের মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক প্রধান ব্রেট ম্যাকগার্ক এবং সিআইএ পরিচালক বিল বার্নস। ইসরাইলি দলের নেতৃত্বে রয়েছেন শিন বেতের প্রধান রোনেন বার। মিসরীয় দলের প্রধান হচ্ছেন গোয়েন্দাপ্রধান আব্বাস কামাল।

গত এপ্রিলে মার্কিন কর্মকর্তারা টাইমস অব ইসরায়েলকে বলেছিলেন, হামাস যাতে সিনাই থেকে অস্ত্র পাচার করতে না পারে সেজন্য মিসর ও গাজার মধ্যবর্তী ফিলাডেলফি করিডোরজুড়ে মাটির নিচে প্রাচীর নির্মাণ করার কথা ভাবা হচ্ছে।

– দৈনিক পঞ্চগড় নিউজ ডেস্ক –