• বৃহস্পতিবার ১৮ জুলাই ২০২৪ ||

  • শ্রাবণ ২ ১৪৩১

  • || ১০ মুহররম ১৪৪৬

সর্বশেষ:
আশা করি শিক্ষার্থীরা আদালত থেকে ন্যায়বিচার পাবে: প্রধানমন্ত্রী। নিহতদের পরিবারের জীবন জীবিকার ব্যবস্থা করে দেব: প্রধানমন্ত্রী। শিক্ষার্থী হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের উপযুক্ত শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে: প্রধানমন্ত্রী। বিশ্ববাজারে স্বর্ণ মূল্যের নতুন রেকর্ড। বৃহস্পতিবার ঢাকায় মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশের ডাক।

মেয়েকে ধর্ষণের দায়ে বাবার আমৃত্যু কারাদণ্ড

প্রকাশিত: ৩০ জুন ২০২৪  

পঞ্চগড়ে নিজের ১৫ বছর বয়সি মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে করা মামলায় বাবা সাইফুল ইসলামকে (৪৯) আমৃত্যু কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরো ১ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রবিবার দুপুরে পঞ্চগড় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুন্যালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) বি. এম তারিকুল কবির এ দণ্ডাদেশ দেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত সাইফুল ইসলামের বাড়ি পঞ্চগড় সদর উপজেলার কামাত কাজলদিঘী ইউনিয়নের সিপাইপাড়া গ্রামে। তিনি সেখানকার মৃত আখিম উদ্দীনের ছেলে।

এর আগে, ২০২৩ সালের ১৮ নভেম্বর পঞ্চগড় সদর থানায় ভিকটিম তরুনীর মা বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। মামলাটি তদন্ত করেন সদর থানার তৎকালীন উপ-পরিদর্শক শামছুজ্জোহা সরকার। তিনি গত ২৮ মার্চ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, মামলার বাদী দণ্ডপ্রাপ্ত সাইফুল ইসলামের প্রথম স্ত্রী। তাদের দাম্পত্যে ৫ জন সন্তান রয়েছে। সাইফুল দ্বিতীয় বিয়ে করায় গত বছরের আগষ্ট মাসের দিকে তাদের বিচ্ছেদ হয়। এরপর থেকে বাবার বাড়িতে থাকতে শুরু করেন বাদীনি। তার সঙ্গে থাকে ভিকটিম মেয়ে ও ছোট দুই ছেলে।

এদিকে, গত বছরের ২১ সেপ্টেম্বর চাচতো ভাইয়ের বিয়ের অনুষ্ঠান উপলক্ষে বাবার বাড়িতে যায় ভিকটিম মেয়ে। সেখানে বাবার ঘরেই আলাদা বিছানায় রাত যাপন করে সে। বিয়ে অনুষ্ঠানের তিনদিন পর (২৪ সেপ্টেম্বর) ভিকটিমের সৎ মা কোথাও বেড়াতে যায়। এই সুযোগে বাবা সাইফুল ইসলাম তার ঘুমন্ত মেয়েকে ধর্ষণ করে। পরবর্তীতে মেয়েকে হুমকি ও ভয়ভীতি দেখিয়ে আরও একাধিকবার ধর্ষণ করেন তিনি। এতে ভিকটিম মেয়ে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। 

দণ্ডাদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আসামি পক্ষের আইনজীবী আহসান উল্লাহ আল হাবিব লাবু। 

এ বিষয়ে পঞ্চগড় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুন্যালের স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট আজিজার রহমান আজুর মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

– দৈনিক পঞ্চগড় নিউজ ডেস্ক –