• বুধবার   ০১ ডিসেম্বর ২০২১ ||

  • অগ্রাহায়ণ ১৬ ১৪২৮

  • || ২৩ রবিউস সানি ১৪৪৩

সর্বশেষ:
খালেদাকে বিদেশে যেতে আইনি প্রক্রিয়া মানতে হবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ও কর্মসংস্থানে ১৫ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে এডিবি মূল্যায়ন ও অগ্রগতিতে প্রথম গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট এনবিআর উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়নে নিরলস কাজ করছে: প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় খাতে বিনিয়োগ করবে তুরস্ক

তেঁতুলিয়ায় ইউপি নির্বাচনে মা-মেয়ের ভোটের লড়াই

প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২১  

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার সদর ইউপির ৭, ৮ এবং ৯ নম্বর ওয়ার্ডে সংরক্ষিত সদস্য পদে মা জীবন নাহার ও মেয়ে বুলবুলি আকতার প্রার্থী হয়েছেন। তারা দুজনে একে অপরের প্রতিদ্বন্দ্বী। তবে মা-মেয়ের এই ভোটের লড়াই মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে ওই এলাকায়।  
আগামী ১১ নভেম্বর এই ইউপিতে অনুষ্ঠিত হবে দ্বিতীয় ধাপের নির্বাচন। মা-মেয়ের ভোটের লড়াই ভোটারদের মাঝে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। জানা গেছে, অন্য আরেকটি ওয়ার্ডে জীবন নাহারের আরেক মেয়েও সংরক্ষিত ওয়ার্ডে নির্বাচন করছেন।
 
স্থানীয়রা জানান, জীবন নাহারের স্বামী ওই ইউপির ভাইস চেয়ারম্যান ছিলেন। স্বামী মারা যাওয়ার পর তিনি সংরক্ষিত ওয়ার্ডে পর পর দুইবার নির্বাচিত হন। বর্তমানেও তিনি ইউপি নারী সদস্য। এবারও তিনি নির্বাচন করছেন। মা-মেয়ের মধ্যে পারিবারিক কোনো দ্বন্দ্বের কথাও শোনেননি কেউই। এবারের ভোটে মেয়ে বুলবুলি হঠাৎ প্রার্থী হয়েছেন। গত বিশ দিন ধরে মা-মেয়ে কেউ কারো বাড়িতে যাচ্ছেন না।

মেয়ে বুলবুলি জানান, গত নির্বাচনে তিনি ভোটারদেরকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন এবার তিনি প্রার্থী হবেন না। আমাকে প্রার্থী করবেন। পারিবারিকভাবেও একাধিকবার আলোচনা হয়েছে। সবাই আমাকে প্রার্থী হওয়ার কথা বলেছেন। এখন হঠাৎ করে আমার ভাইয়ের প্ররোচনায় মা প্রার্থী হয়েছেন। আমার জনপ্রিয়তা আছে, নির্বাচিত হবো।

মেয়ের অভিযোগ অস্বীকার করে মা জীবন নাহার বলেন, মেয়ে প্রার্থী হবে তা সে কখনো জানায়নি। আমার মেয়ে তার স্বামীর প্ররোচনায় প্রার্থী হয়েছে। অসুবিধা নেই, পর পর দুবার নির্বাচিত হয়েছি। এবারও হবো।

শতদল আদর্শ গ্রামের বাসিন্দা লাবলু বলেন, দুই বারের নির্বাচিত নারী সদস্য জীবন নাহার। মেয়ে বুলবুলি একই ওয়ার্ডে ভোট করায় স্থানীয়দের মাঝে একটু মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। কেন এমনটা হলো কেও বুঝতে পারছেন না।  

এদিকে, তেঁতুলিয়া সদর ইউপির ৪, ৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী ইউপি সদস্য পদে ওই পরিবারের আরেক মেয়ে সেতারা বেগমও নির্বাচন করছেন।

রিটার্নিং অফিসার ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম জানান, একই পরিবারের কয়েকজন প্রার্থী হলেও ভোট গ্রহণের ক্ষেত্রে কোনো বাধ্য বাধকতা নেই।

– দৈনিক পঞ্চগড় নিউজ ডেস্ক –