ব্রেকিং:
করোনায় আক্রান্ত হয়ে রংপুর বিভাগের কুড়িগ্রামে আরো একজনের মৃত্যু। রংপুর নগরীতে করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে জীবাণুনাশক স্প্রে করছে সিটি কর্পোরেশন।
  • শুক্রবার   ১৬ এপ্রিল ২০২১ ||

  • বৈশাখ ২ ১৪২৮

  • || ০৩ রমজান ১৪৪২

সর্বশেষ:
রংপুর নগরীর শাপলা চত্বর এলাকায় র‌্যাব-১৩ এর উদ্যোগে করোনা সংক্রমণ রোধে জনসচেতনতামূলক প্রচারণা চলছে। করোনাভাইরাস সংক্রমণ মোকাবিলায় সারাদেশে দ্বিতীয় দিনের মতো সর্বাত্মক লকডাউন চলছে। প্রবাসী কর্মীদের জন্য বিশেষ ফ্লাইটের ব্যবস্থা করছে সরকার বসুন্ধরার হাসপাতাল ‘উধাও’ হয়নি, বণ্টন হয়েছে- স্বাস্থ্যের ডিজি রংপুরসহ দেশের তিন বিভাগ ও দুই জেলার একাধিক স্থানে কালবৈশাখী ঝড়ের আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সর্বাত্মক লকডাউনের দ্বিতীয় দিনেও রংপুরে রাস্তার মোড়ে মোড়ে বসেছে পুলিশের চেকপোস্ট।

সোয়া ৩ হাজার কোটি টাকার কৃষিযন্ত্র বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন

প্রকাশিত: ৭ এপ্রিল ২০২১  

৩ হাজার ২০ কোটি টাকার কৃষি যান্ত্রিকীকরণ প্রকল্পের আওতায় সারা দেশে কৃষকদের মধ্যে কম্বাইন হারভেস্টার, রিপারসহ বিভিন্ন কৃষিযন্ত্র বিতরণ কার্যত্রম উদ্বোধন করেছেন কৃষিমন্ত্রী মো. আব্দুর রাজ্জাক। মঙ্গলবার (৬ এপ্রিল) সচিবালয় থেকে ১৩টি স্পটে এই কৃষিযন্ত্র বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন কৃষিমন্ত্রী।

চলতি অর্থবছরে (২০২০-২১) এই প্রকল্পের আওতায় দেশের ৫০০টি উপজেলায় এক হাজার ৬১৭টি কম্বাইন হারভেস্টার, ৭০১টি রিপার, ১৮৪টি রাইস ট্রান্সপ্লান্টারসহ মোট ৫ হাজার ৭৭৬টি কৃষিযন্ত্র বিতরণ করা হবে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘আজকে আমরা যে কৃষকদের কৃষিযন্ত্র দিচ্ছি এটি কৃষিক্ষেত্রে সরকারের নতুন একটি অধ্যায়। ১০/১৫ বছর আগেও দেশে চাষাবাদ, মাড়াইসহ সব কর্মকাণ্ড হতো গরু দিয়ে। এটার পরিবর্তন শুরু হয়েছে। তবে ধান কাটা ও ধান লাগানোর কাজটি এখনও মানুষ করে থাকেন। আমরা এটার একটা পরিবর্তন চাচ্ছি।’

তিনি বলেন, ‘আজকে বাংলাদেধের কৃষিতে অভূতপূর্ব একটি পরিবর্তন হয়েছে, সেই ধারাকে অব্যাহত রাখার জন্য কৃষি মন্ত্রণালয় থেকে একটি নতুন প্রকল্প শুরু করেছি। যে প্রকল্পের মাধ্যমে কৃষিযন্ত্রপাতি দিচ্ছি। এগুলো দেব প্রণোদনার মাধ্যমে। আমরা প্রণোদনা দেব একটি যন্ত্রের মূল্যের ৫০ থেকে ৭০ শতাংশ। বাকিটা দেবেন কৃষক।’

ফসল ফলানো ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় কৃষিযন্ত্রে সরকার ৭০ ভাগ প্রণোদনা দিচ্ছে জানিয়ে কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘আগামী ৫ বছর আমরা এই প্রণোদনা দেব, আজকে এটা শুরু হলো। আমি সকলকে বলতে চাই, শুরুতে সকলকে দিতে পারছি না। এই যে শুরু হলো এটা অব্যাহত থাকবে।’

‘বাংলাদেশের কৃষিকে শিল্পোন্নত পশ্চিমা দেশের মতো আধুনিক করব। বাংলাদেশের কৃষিকে আরা যান্ত্রিকীকরণ করব, বাংলাদেশের কৃষিকে আমরা বাণিজ্যিকীকরণ করব।’

হাওর এলাকায় ধান চাষ ঝুঁকিপূর্ণ জানিয়ে আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘এবারও আমাদের প্রস্তুতি রয়েছে। আমি মাঠ পর্যায়ে আমাদের কর্মকর্তাদের বলব সর্বাত্মক প্রস্তুতি আপনারা নেবেন। যে কোনোভাবেই হোক না কেন, আমরা যাতে ধানটা ঘরে তুলতে পারি।’

হাওরে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মূল্যায়নের চেষ্টা করব

কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘আমোদের প্রতিমন্ত্রী (সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী) মহোদয় বলেছেন হাওরে একটা অস্বাভাবিক গরম আবহাওয়া আসছে, অনেক ধান চিটা হয়ে যাচ্ছে। বেশি ক্ষতি হয়েছে। আমাদের মন্ত্রণালয় থেকে আমরা এটা জানি, আমরা খবর নিচ্ছি। বিশেষজ্ঞরা যাচ্ছেন। আমাদের সচিবও যাবেন।’

তিনি বলেন, ‘চাষিরা যে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, আমরা এটা অবশ্যই মূল্যায়ন করব। যতটা পারি তাদের সহযোগিতা করার চেষ্টা করব।’

অনুষ্ঠানে নেত্রকোণা প্রান্তে যুক্ত ছিলেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী আশরাফ আলী খান খসরু। এছাড়া কৃষি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মেসবাহুল ইসলামসহ কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীন অন্যান্য দফতর ও সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তারা অনলাইনে যুক্ত থেকে বক্তব্য দেন।

– দৈনিক পঞ্চগড় নিউজ ডেস্ক –