• শুক্রবার   ১২ আগস্ট ২০২২ ||

  • শ্রাবণ ২৭ ১৪২৯

  • || ১২ মুহররম ১৪৪৪

সর্বশেষ:
শোক দিবসের অনুষ্ঠানে মাস্ক-টিকা সনদ বাধ্যতামূলক অর্থনীতিতে স্বস্তির আভাস মিলেছে: গভর্নর সরকারি ওষুধ চুরি করে বিক্রি করলে ১০ বছরের জেল প্রহরীর গলা কাটা মরদেহ, পার্কের মালিকসহ গ্রেপ্তার ৩ আন্তর্জাতিক গণিত প্রতিযোগিতায় ৫ বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর অনন্য অর্জন

বঙ্গবন্ধুর আদর্শে আলোকিত জাতি গঠনের আহ্বান স্পিকারের

প্রকাশিত: ২৩ ডিসেম্বর ২০২১  

বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বুকে ধারণ করে আলোকিত জাতি গঠনে সবাইকে আত্মনিয়োগ করার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।
ক্যাম্পেইন ফর পপুলার অ্যাডুকেশন (ক্যাম্পি), ঢাকা আহ্‌ছানিয়া মিশন এবং সিএসও অ্যালায়েন্সের উদ্যোগে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এ আহ্বান জানান।

স্পিকার বলেন, অনেক সফলতা অর্জনের মধ্য দিয়ে জাতি স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন করছে। স্বাধীনতার পরপরই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রাথমিক শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক ও অবৈতনিক করেছিলেন, যা তার সুদূরপ্রসারী দৃষ্টিভঙ্গির ফসল। তিনি বিশ্বাস করতেন, শিক্ষাক্ষেত্রে বিনিয়োগ সর্বোত্তম বিনিয়োগ।

তিনি বলেন, অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত মেয়েদের শিক্ষাকে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অবৈতনিক করেছিলেন। আজ থেকে পঞ্চাশ বছর আগেই নারী-পুরুষ সমতা ও ছেলেদের পাশাপাশি মেয়েদের শিক্ষা নিয়ে তিনি অত্যন্ত সচেতন ছিলেন। ছত্রিশ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয় ও দেড় লাখ শিক্ষকের চাকরি তিনি জাতীয়করণ করেছিলেন। যুদ্ধবিধস্ত দেশে অর্থনৈতিক কাঠামো শক্ত না হওয়া সত্ত্বেও শিক্ষাকে তিনি প্রাধান্য দিয়েছিলেন। জাতীয় শিক্ষানীতি প্রণয়নের জন্য তিনি কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন গঠন করেছিলেন।

ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, বর্তমান সরকার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০ প্রণয়ন করেছে। প্রাথমিক শিক্ষা, শিক্ষাক্ষেত্রে লিঙ্গ সমতা অর্জন ইত্যাদি ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জিত হয়েছে। দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে কারিগরি শিক্ষার ওপর সরকার যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়েছে। নারী ও শিশুদের ক্ষেত্রে বিশেষ কোনো আইন প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা হলেও সরকার তা বিবেচনা করছে, যা বাহাত্তরের সংবিধানে জাতির পিতা অন্তর্ভুক্ত করেছিলেন। বাস্তবধর্মী পদক্ষেপ গ্রহণে সরকার নিরলস কাজ করছে। প্রযুক্তিভিত্তিক শিক্ষার সুযোগ অবারিত করা হয়েছে। পিছিয়ে পড়া অঞ্চলে ঊনত্রিশ লাখ শিক্ষার্থীর খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে, যা আরো বৃহৎ আকারে পরিচালনার পরিকল্পনা সরকার করছে।

ড. কাজী খলিকুজ্জামান আহমেদের সভাপতিত্বে এবং রাশেদা কে চৌধুরীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরমা দত্ত এমপি, চ্যানেল আইয়ের হেড অফ নিউজ শাইখ সিরাজ বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন।

ড. মঞ্জুর আহমেদ, কাজী ফারুক আহমেদ, মনসুর আহমেদ চৌধুরী, খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম অনুষ্ঠানে গেস্ট স্পিকার হিসেবে বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন।

– দৈনিক পঞ্চগড় নিউজ ডেস্ক –