• মঙ্গলবার   ৩১ জানুয়ারি ২০২৩ ||

  • মাঘ ১৭ ১৪২৯

  • || ০৭ রজব ১৪৪৪

সর্বশেষ:
ওয়াদা করুন, নৌকায় ভোট দেবেন: প্রধানমন্ত্রী কুড়িগ্রামে জুয়া খেলার সরঞ্জামসহ সাত জুয়াড়ি গ্রেফতার এসএসসি-সমমানের পরীক্ষা শুরু ৩০ এপ্রিল হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পরীক্ষার ফি নির্ধারণ করবে সরকার নীলফামারী জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি মমতাজুল, সম্পাদক অক্ষয়

স্বামী-স্ত্রী আলাদা ঘরে ঘুমনোর উপকারিতা

প্রকাশিত: ২৪ জানুয়ারি ২০২৩  

স্বামী-স্ত্রী আলাদা ঘরে ঘুমনোর উপকারিতা                                
বিয়ে হলেই স্বামী-স্ত্রী একসঙ্গে ঘুমোবেন। এটাই সমাজের সাধারণ নিয়ম। বিয়ের পর স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক নিয়ে নানা কথা হয়। একটি নতুন দম্পতি কীভাবে তাদের জীবনে একটি নতুন মোড় নেবে তা নিয়ে বিশ্বে অনেক যুক্তি রয়েছে। 
অল্পবয়সী দম্পতিরা তাদের জীবনের নিয়ম নিজেরাই তৈরি করতে পারেন। কিন্তু অনেক সময় তারা লজ্জিত হন কারণ তারা সমাজের নিয়ম মেনে চলেন না। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, ২০১৭ সালের ন্যাশনাল স্লিপ ফাউন্ডেশনের সমীক্ষা বলছে যে প্রতি চার জনের মধ্যে একজন দম্পতি আলাদা বিছানায় ঘুমান।

২০১২ সালের বেটার স্লিপ কাউন্সিল একটি গবেষণা করেছিল। এই গবেষণায় শুধু এই তথ্যই বলা হয়নি কতজন দম্পতি আলাদা ভাবে ঘুমোন, এর উপকারিতাও বলা হয়েছে। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে আলাদা করে ঘুমনোর অনেক উপকারিতা রয়েছে জানেন কী?

প্রথমত, জেনে নিন যে এই বিষয়ে করা সব গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে স্বামী-স্ত্রীর আলাদা ভাবে ঘুমনো ভুল নয় এবং প্রত্যেক দম্পতির তাদের নিজস্ব নিয়ম তৈরি করার অধিকার রয়েছে। কিন্তু অনেক সময় মানুষ এই ধরনের কথা শুনে ভিন্নভাবে প্রতিক্রিয়া দেখান এবং মনে করেন যে এই দম্পতির জীবনে সবকিছু ঠিক নেই। কিন্তু তা নয়, কখনো কখনো আলাদা বেডরুমে ঘুমনো সেই দম্পতির জন্য আরো সুবিধাজনক প্রমাণিত হতেই পারে।

এবার আলোচনা করা যাক আলাদা বিছানায় ঘুমোলে কী কী সুবিধা হতে পারে এবং কেন আলাদা করে ঘুমনো উচিত গবেষণা অনুযায়ী। প্রথম এবং প্রধান সুবিধা হলো এর কারণে ঘুমের কোনো ব্যাঘাত ঘটে না। আপনি যদি আপনার সঙ্গীর সঙ্গে বছরের পর বছর ধরে চুপ করে থাকেন তবে আপনি বুঝতে পারবেন যে বিরক্ত না হয়ে সারা রাত ঘুমনো কতটা কঠিন।

রাতে নাক ডাকা, লাথি মারা, শরীরের তাপমাত্রার পরিবর্তন ইত্যাদি তাই আলাদা। আপনি যদি মাঝে মাঝে আলাদা ঘুমনোর চেষ্টা করেন তবে এটি আপনার শরীরের নিরাময়ের জন্যও ভালো হতে পারে।

কিছু সময়ের দূরত্ব আপনার সম্পর্ককে অনেক ভাল করে তুলতে পারে। আপনি আরাম করার সময় পান এবং এর কারণে আপনার রাগও ঠান্ডা হয়। সর্বদা শারীরিক ঘনিষ্ঠতার পাশাপাশি মানসিক ঘনিষ্ঠতার প্রয়োজন রয়েছে এবং তাই মাঝে মাঝে আলাদা ঘুমনো ভাল। আপনি ঘুমোতে চান এবং আপনার সঙ্গী টিভি দেখতে চান বা অফিসের কাজ করতে চান। এক্ষেত্রে আপনি আলাদা ঘরে ঘুমোলে আরাম করে ঘুমোতে পারবেন।

গবেষণা বলছে যে কখনো কখনো দম্পতিদের জন্য কিছু দূরত্ব বজায় রাখা তাদের যৌন জীবনের জন্য ভাল প্রমাণিত হতে পারে। তারা বিরক্ত হয় না এবং ক্লান্তও হয় না। এর ফলে যৌন জীবন উন্নত হতে পারে। আরো আকর্ষণ হতে পারে একে অপরের প্রতি।

আলাদা ঘরে, আলাদা বিছানায় ঘুমনো শুধু বিছানায় বেশি জায়গা পাওয়াই নয়, শরীরের অনেক ধরনের সমস্যার জন্যও ভালো। আসলে, এটি শরীরের ইতিবাচকতার জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। অনেক সময় নারীদের জন্য এটি সাপে বর হয়। 

সূত্র: নিউজ ১৮ 

– দৈনিক পঞ্চগড় নিউজ ডেস্ক –