• সোমবার   ২৮ নভেম্বর ২০২২ ||

  • অগ্রাহায়ণ ১৩ ১৪২৯

  • || ০৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

সর্বশেষ:
গুজবে কান দিয়ে ব্যাংক থেকে টাকা না তোলার পরামর্শ দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর উন্নত বাংলাদেশ গড়তে বিজ্ঞান চর্চা বাড়াতে হবে: সমাজকল্যাণমন্ত্রী সবাইকে ডোপ টেস্টের আওতায় আনা দরকার: ডেপুটি স্পিকার শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সবাইকে কাজ করতে হবে: পরিবেশমন্ত্রী বিএনপি থেকে নিজেদের সম্পদ রক্ষা করতে হবে: এলজিআরডিমন্ত্রী

মাঝে কাঁটাতারের বেড়া, পাশে দুই বাংলার স্বজনরা

প্রকাশিত: ২৫ অক্টোবর ২০২২  

লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার নবীনগর-বাউরা ও জুম্মাপার সীমান্তে দুই বাংলার মিলনমেলা বসেছে। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কালীপূজা উপলক্ষে দুই বাংলার মানুষ দূর থেকে তাদের স্বজনদের একটু দেখতে ও কথা বলতে ছুটে এসেছেন কাঁটাতারের বেড়ার কাছে।

মঙ্গলবার (২৫ অক্টোবর) সীমান্তে এ দৃশ্য দেখা যায়। সনাতন ধর্মাবলম্বী ছাড়াও শত শত মুসলমান সেখানে ভিড় জমান।

লাঠিতে ভর করে মেয়ের সঙ্গে দেখা করতে এসেছেন বৃদ্ধ হরিমন (৭০) ও তার স্ত্রী সুমতি রানী। মেয়ে ফুলমতি (৩৫) ভারতের কুচবিহার জেলার জামালদহ রানিনগর এলাকায় থাকেন। ২০ বছর আগে তার বিয়ে হয়েছে। পাঁচ বছর পর বাবা-মায়ের দেখা পেয়ে ফুলমতি আবেগাপ্লুত হয়ে কাঁটাতারের বেড়ার ওপারে কাঁদতে থাকেন। তবে মেয়ের সঙ্গে দেখা হলেও ছুঁতে পারেননি বৃদ্ধ হরিমন।

সরেজমিনে দেখা গেছে, দূর থেকে দেখে কুশলবিনিময় করছেন স্বজনরা। স্বজনদের দেখে অনেকে কান্না করছেন। দুই বাংলার মানুষের মধ্যে বিনিময় হচ্ছে খাদ্যসামগ্রী।

পাটগ্রাম উপজেলার জুম্মার পার নবীনগর-বাউরা সীমান্তের (মেইন পিলার ৮৪০ এর সাব-পিলারের কাছে) ভারতীয় কুচলিবাড়ী ৪০ বিএসএফ ক্যাম্পের কাছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কালীপূজা উপলক্ষে বাংলাদেশ-ভারত দুই দেশের মানুষের মধ্যে মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় ভারতীয় কুচলিবাড়ী ৪০ বিএসএফ ক্যাম্পের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ থেকে আসা শিশু-কিশোরসহ অন্যদের মধ্যে খাবার পরিবেশন করা হয়।

হাতীবান্ধা উপজেলার ফকিরপাড়া ইউনিয়নের বালিশের গ্রামের কল্পনা রানী বলেন, ‘তিন বছর পর বোনের সঙ্গে দেখা করলাম এই কাঁটাতারের বেড়ার কাছে। অনেক ভালো লাগছে। প্রতি বছর যেন এভাবে সুযোগ করে দেয় আমাদের দেখা করার জন্য।’

হাতীবান্ধার বড়খাতা ইউনিয়ন থেকে আসা সুদর্শন বলেন, ‘ভারতে আমার ভাগনিরা থাকে। তাদের সঙ্গে দুই বছর পর দেখা হলো। অনেক ভালো লাগছে।’

এ বিষয়ে বাউরা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান রাবিউল হক মিরন বলেন, প্রতি বছরের মতো এবারও কালীপূজায় সীমান্তে মিলনমেলা বসেছে। এতে দুই বাংলার মানুষের মাঝে পারস্পরিক সম্পর্ক বজায় থাকবে।
#জাগো নিউজ।

– দৈনিক পঞ্চগড় নিউজ ডেস্ক –