• সোমবার ১৭ জুন ২০২৪ ||

  • আষাঢ় ৩ ১৪৩১

  • || ০৯ জ্বিলহজ্জ ১৪৪৫

গান্ধী পরিবারের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাক্ষাৎ

প্রকাশিত: ১১ জুন ২০২৪  

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগদান উপলক্ষে তিন দিনের নয়াদিল্লি সফরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গান্ধী পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাত করেন। 

সোমবার বিকেলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে আইটিসি মৌর্য হোটেলে সাক্ষাৎ করেন ভারতের পার্লামেন্টের রাজ্যসভা সদস্য ও কংগ্রেস পার্লামেন্টারি পার্টির চেয়ারপার্সন সোনিয়া গান্ধী, তার ছেলে ও লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী এবং মেয়ে ও ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল কংগ্রেস পার্টির জেনারেল সেক্রেটারি প্রিয়াঙ্কা গান্ধী।

হৃদ্যতাপূর্ণ পরিবেশে গান্ধী পরিবারের সাথে এ সময় একান্তে আলোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং গান্ধী পরিবারের মধ্যে বন্ধন তাদের পূর্বসূরিদের মধ্যে সম্পর্কের সময়কালের। শেখ হাসিনার পিতা এবং বাংলাদেশের জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর সাথে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক ছিল।

সাবেক ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন, পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে সমর্থন করেছিলেন। 

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সর্বশেষ তার অক্টোবর ২০১৯ সালের ভারত সফরে গান্ধী পরিবারের সাথে শেষ দেখা করেছিলেন।

গান্ধী পরিবার ছাড়াও নয়াদিল্লি সফরে শেখ হাসিনা ভারতরত্ন এবং ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) প্রবীণ নেতা এল কে আদভানির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। শ্রীলঙ্কার রাষ্ট্রপতি রনিল বিক্রমাসিংহে, ভারতের ইউনিয়ন মন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন।

এ ছাড়া মোদির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগদানের পূর্বে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতীয় জনতা পার্টির  (বিজেপি) জ্যেষ্ঠ নেতা লাল কৃষ্ণ আদভানির সাথে তার বাসভবনে সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হন।

এ দিন ভুটানের প্রধানমন্ত্রী দাশো শেরিং তোবগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে  তার আবাসস্থলে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এ সময় শেখ হাসিনা ভারতের মধ্য দিয়ে ভুটান থেকে জলবিদ্যুৎ আমদানির বিষয়ে বাংলাদেশের আগ্রহের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন ও এ জন্য প্রয়োজনীয় ত্রিপক্ষীয় চুক্তি নিয়ে ইতোমধ্যেই ভারতের সাথে আলোচনার কথা জানান।

এবারই প্রথম মোদির শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে ২০১৪ এবং ২০১৯ সালেও শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে পূর্ব প্রতিশ্রুতির কারণে তিনি উপস্থিত হতে পারেননি।

প্রসঙ্গত, তিন দিনের সফর শেষে সোমবার সন্ধ্যায় নয়াদিল্লি থেকে ঢাকায় ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী।

– দৈনিক পঞ্চগড় নিউজ ডেস্ক –