• বৃহস্পতিবার   ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২ ||

  • আশ্বিন ১৪ ১৪২৯

  • || ০২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪

সর্বশেষ:
শেখ হাসিনার আজ জন্মদিন, জীবন যেন এক ফিনিক্স পাখির গল্প আজ থেকে করোনা টিকার বিশেষ ক্যাম্পেইন রংপুরে বাসের ধাক্কায় নিথর হলেন অটোযাত্রী ক্ষেতে কাজ করার সময় বজ্রপাত, প্রাণ গেল কৃষকের পঞ্চগড়ে নৌকাডুবি, ৩ দিন বাড়ল তদন্ত প্রতিবেদন জমার মেয়াদ

দর্শনার্থীদের নজর কাড়ছে তেঁতুলিয়ার জিরো পয়েন্ট

প্রকাশিত: ৯ সেপ্টেম্বর ২০২২  

দর্শনার্থীদের নজর কাড়ছে তেঁতুলিয়ার জিরো পয়েন্ট                
দেশের সর্ব উত্তরের সীমান্তবর্তী জেলা পঞ্চগড়। এখানে বিভিন্ন দর্শনীয় ও পর্যটন স্থান রয়েছে। যা দেখতে প্রতিবছর নানা প্রান্তের মানুষের আগমন ঘটে। কম-বেশি সব বয়সী ভ্রমণ পিপাসু মানুষেরা প্রাকৃতিক সৌন্দর্য অবলোকন করতে ভিড় জমায় পঞ্চগড়ের দর্শনীয় স্থানগুলোতে। তবে পর্যটক কিংবা দর্শনার্থীদের প্রধান আকর্ষণ তেঁতুলিয়া উপজেলার ‘জিরো পয়েন্ট’। 

এই উপজেলায় আরো রয়েছে তেঁতুলিয়া পিকনিক কর্ণার, জেলা পরিষদের ঐতিহ্যবাহী ডাকবাংলো,তেঁতুলিয়া ইকো পার্ক, বাংলাবান্ধা জিরোপয়েন্ট, মিনা বাজার, আনন্দ ধারা, আনন্দ গ্রাম ও মহানন্দা নদীর অপরুপ সৌন্দর্য। এদিকে  দর্শনার্থীদের জন্য নতুন করে তেঁতুলিয়া পিকনিক কর্নার নির্মাণ হয়েছে তেঁতুলিয়ার জিরোপয়েন্ট। আর নতুন ভাবে গড়ে উঠা এই জিরো পয়েন্ট দর্শনার্থীদের কাছে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। 

জানা যায়,তেঁতুলিয়া উপজেলা প্রশাসনের উদ্যাগে পিকনিক কর্ণারের সৌন্দর্যবর্ধনের জিরো পয়েন্টসহ বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে। এতে  জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে তেঁতুলিয়ার পিকনিক কর্ণারসহ দর্শনীয় স্থানগুলো। এদিকে উপজেলা বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর এলাকায় বাংলাদেশের সীমান্তের শেষে  পুরনো একটি জিরোপয়েন্ট আছে। কিন্তু এই জিরো পয়েন্ট সবার জন্য মুক্ত না থাকায় তেঁতুলিয়া পিকনিক কর্ণারের প্রবেশ পথের নতুন করে জিরো পয়েন্ট নির্মাণ করা হয় করা হয়েছে। 

জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলার বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর এলাকায় পুরোনো একটি জিরো পয়েন্ট রয়েছে। তবে আগে সেই বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্টটি দেখার জন্য সবার জন্য উমুক্ত থাকলেও দুই তিন বছর ধরে সেটিতে ইচ্ছা থাকলেও যে-কেউ যেতে পারে না। বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্ট সবার জন্য উন্মুক্ত না হলেও তেঁতুলিয়ার পিকনিক কর্নারের প্রবেশ পথে নতুন করে জিরো পয়েন্ট নির্মাণ করা হয়েছে। এটি দেখতে এবং এখানে এসে সেলফি কিংবা ছবি তোলার জন্য বিভিন্ন পর্যটক কম-বেশি প্রতিদিনই ভিড় করছেন।

এ বিষয়ে দিনাজপুর হাজী মোহাম্মদ দ্বানেশ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজ ছাত্র হিমেল হোসেন বলেন, আমি আমার বন্ধুদের সঙ্গে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া ঘুরতে এসেছি। বাস থেকে নেমে প্রথমে বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্ট দেখতে গিয়েছিলাম কিন্তু বিকাল পাঁচটার পর জিরো পয়েন্টে যেতে পারবো বলে বিজিবি জানায়। ফলে সময় সংকীর্ণতার কারণে বাংলাবান্ধা থেকে তেঁতুলিয়া পিকনিক কর্ণারে যাই। পিকনিক কর্ণাররে প্রবেশ পথেই দেখা মিললো তেঁতুলিয়ার জিরো পয়েন্ট । দেখা মাত্রই আমরা জিরোপয়েন্ট স্পর্শ করে সবাই মিলে ছবি তুলেছি।

দিনাজপুর থেকে ঘুরতে আসা মাজেদুল ইসলাম বলেন, আমি আমার পরিবার-পরিজন নিয়ে তেঁতুলিয়া ঘুরতে এসেছি। তেঁতুলিয়া পিকনিক কর্নারে প্রবেশের মুখে জিরো পয়েন্ট দেখে অনেক ভালো লেগেছে। অনেক ছবি তুললাম আমরা সবাই মিলে। 

এ বিষয়ে তেঁতুলিয়া ট্রাভেল ও ট্যুরিজমের পরিচালক এম মোবারক হোসাইন ডেইলি বাংলাদেশকে বলেন, তেঁতুলিয়া পর্যটন এলাকা হিসেবে দিনদিন পরিচিত হচ্ছে। এখানে পিকনিক কর্নার,  ইকোপার্ক, জিরো পয়েন্ট আনন্দধার,  সমতলের চা-বাগান,  এমনকি খালি চোখে কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখতে বিভিন্ন জেলা থেকে পর্যটকদের আগমন ঘটে। তবে তেঁতুলিয়ার বুকে গড়ে ওঠা এই জিরো পয়েন্ট দর্শনার্থীদের দিন-দিন অনেক আকর্ষণ বাড়ায়। 

তেঁতুলিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সোহাগ চন্দ্র সাহা বলেন, তেঁতুলিয়ার দর্শনীয় স্থানগুলো দিনদিন পর্যটকদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। আমরা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পর্যটন বিকাশে অনেকগুলো উদ্যাগ গ্রহণ করেছি। দর্শনার্থীদের বিনোদনের কথা চিন্তা করেই  তেঁতুলিয়া পিকনিক কর্নারের সামনেই এই জিরো পয়েন্ট নির্মাণ করেছি।

– দৈনিক পঞ্চগড় নিউজ ডেস্ক –